✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ সকল সম্প্রদায়ের বর্ণনা ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔵 মহাপ্রভু স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় গুলি কি কি ❓❓
🔵 ১৩ টি অপসম্প্রদায় কি কি ❓❓
🔵 কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন❓
🔵 দীক্ষা কেন নিবেন ❓
🔵 ৪ সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিলে কি ফল হবে ❓
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিযুগ পাবন অবতার মহাপ্রভুস্বীকৃত চার সম্প্রদায়ঃ
১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণু স্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)
আমাদের সমাজে মোট ১৩ প্রকারের অপসম্প্রদায় রয়েছে ।
🔵 ১৩টি অপসম্প্রদায়ের তালিকা:-
১.আউল
২.বাউল
৩.কর্ত্তাভজা
৪.নেড়া
৫.দরবেশ
৬.সাই
৭.সহজিয়া
৮.সখীভেকী
৯.স্মার্ত
১০.জাত-গোসাই
১১.অতি বাড়ি
১২.চুড়াধারী
১৩.গৌরাঙ্গ-নাগরী
এই তের প্রকার অপসম্প্রদায় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পথ পরিত্যাগ করে ব্যভিচারী হয়েছে।
শ্রীল তোতারাম দাস বাবাজী মহারাজ এই তালিকা দিয়েছেন। তিনি ছিলেন পশ্চিমদেশীয়। বর্তমান শহর নবদ্বীপে তাঁর বড় আখড়া আছে। তাঁর তীব্র শাসন ছিল। তাঁর ইচ্ছা ছিল যে, নবদ্বীপে বসে কেউ যেন ধর্মের নামে ব্যভিচার না করে। তিনি বর্তমান শহর নবদ্বীপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
পদ্মপুরাণে দেখা যায়--
সম্প্রদায়বিহীনা যে মন্ত্রাস্তে নিষ্ফলা মতাঃ। অতঃ কলৌ ভবিষ্যন্তি চত্বারঃ সম্প্রদায়িনঃ।
শ্রী-মাধ্বী-রুদ্র-সনকা বৈষ্ণব্য ক্ষিতিপাবনাঃ। চত্বারস্তে কলৌ দেবী সম্প্রদায়প্রবর্ত্তকাঃ॥১॥
অর্থাৎ, যাঁরা সম্প্রদায়-বিহীন বা কোনও সম্প্রদায়-ভুক্ত নন, তাঁদের মন্ত্র ফলদায়ক হয় না। এইজন্য কলিকালে শ্রী, মাধ্বী, রুদ্র ও সনক এই চারজন ক্ষিতি-পাবন বৈষ্ণব আবির্ভূত হয়ে চারটি সম্প্রদায় প্রবর্ত্তন করবেন।
''শ্রী ব্রহ্ম রুদ্র সনক বৈষ্ণব ক্ষিতিপাবন,
চত্বারন্তে কলৌ ভব্য হি উৎকলে পুরুষোত্তম''।।পদ্মপুরান।।
অর্থাৎ জগতের পবিত্রতা সম্পদানকারী শ্রী, ব্রহ্ম, রুদ্র ও সনক, এই কলিযুগে চারটি সম্প্রদায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে বা উৎকল দেশ পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীজগন্নাথ থেকে আবির্ভূত হবে।।
ভক্তমাল-গ্রন্থে দেখতে পাই,---
“রামানুজং শ্রীঃ স্বীচক্রে মধ্বাচার্য্যং চতুর্ম্মুখঃ। শ্রীবিষ্ণুস্বামিনং রুদ্রো নিম্বাদিত্যং চতুঃসনঃ॥”
অর্থাৎ-শ্রী (লক্ষ্মী) রামানুজকে, চতুর্ম্মুখ (ব্রহ্মা) মধ্বাচার্য্যকে, রুদ্র (মহাদেব) শ্রীবিষ্ণুস্বামীকে এবং চতুঃসন (সনক, সনন্দ, সনাতন, সনৎকুমার) নিম্বাদিত্যকে আপনি আপন সম্প্রদায়-প্রবর্ত্তকরূপে স্বীকার করেন।
এই চার সম্প্রদায় হতে অসংখ্য বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে।”
আমাদের ইন্দ্রিয়সমুহ অপুর্ণ তাই আমরা পরম সত্যকে জানতে পারি না। যেমন কোন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হলে আমরা সে বিষয়ের জ্ঞানীর নিকট হতে শিক্ষা লাভ করি। তেমনি পরমার্থজ্ঞান লাভ করতে হলে তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা পরমার্থতত্ত্ববেত্তা পুরুষের আশ্রয় গ্রহন করতে হয়। এবং এই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষ হলেন গুরুদেব। এই গুরুদেবও একান্তভাবে আশ্রিত যথার্থ ও যোগ্য শিষ্যের মত কোন তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা গুরুদেবের কাছ থেকে এই জ্ঞান লাভ করেছেন। এবং পরবর্তীতে তিনি আবার এই কর্মসাধ্য পারমার্থিক জ্ঞান তার যোগ্য শিষ্যের মাঝে দান করেন।
এইভাবে যথার্থ শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে আদিগুরু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে এই জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে। এবং পরবর্ত্তীতে তা একাধিক ধারা বা গুরুপরম্পরা রুপ বা সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে।
তাই শুদ্ধ পরম্পরা ধারা বা সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত না হলে জীবের পারমার্থিক জীবন, তার ইহলোক ও পরলোক দুটোই নষ্ট হয়।
এই চারটি সম্প্রদায়ে চারজন আচার্য্য দ্বারা কলিযুগে পারমার্থিক জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে।
১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু এই চারটি সম্প্রদায় ছাড়া অন্যান্য নিজ মনগড়া অপসম্প্রদায়গুলিকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
শাস্ত্র ও তত্ত্ববিদ্গনের মতে চারটি শুদ্ধ পরম্পরায় ধারা বর্তমান আছে এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে যত সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে তা সবই অপসম্প্রদায়।
যারা উপরোক্ত এ চার সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিবেন, তাদের জনম বৃথা যাবে এবং পরবর্তী জনমে পশুযোনী প্রাপ্ত হবে।
তাই মানব জীবন স্বার্থক করতে হলে, গোলকধাম- যা আমাদের সত্যিকারের গন্তব্যস্থান, সেখানে যেতে হলে অবশ্যই এ চার সম্প্রদায়ের সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরা হতে দীক্ষা নিতে হবে। তবেই পরমেশ্বর এর সেবার অধিকারী হতে পারবো, তার ভজনের মাধ্যমে তুষ্ট করে তার চরণ যুগল লাভ করতে পারবো। এবং তা অবশ্যই সিদ্ধ গুরুপরম্পরা তথা সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরার মাধ্যমে।
অনেকেই বিভিন্ন মত ভালো লাগে বলে যেখান সেখান হতে দীক্ষা নিয়ে নেন, এবং তা সিদ্ধ না । তাই দীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সাবধান।
উক্ত চার সম্প্রদায় পরম্পরা ধারায় আগত শিক্ষা প্রদান করাই গুরুপরম্পরার উদ্দেশ্য।
অন্যথায় গুরুপরম্পরা কেবল একটি শারীরিক পরম্পরা বলে গন্য হবে। মনে রাখবেন, অপসম্প্রদায়গুলি কেবল তাদের গুরু-নামধারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, যাদের দেওয়া মন্ত্রে কোন ক্রিয়া হয় না।
তাই গুরু নির্বাচনের পুর্বে আমাদের অবশ্য কর্তব্য গুরুদেবের পরম্পরা বিষয়ে অনুসন্ধান করা।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

