✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁ ভগবান শ্রীশ্রীনৃসিংহ দেবের আবির্ভাব ꧂
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
অসুররাজ হিরণ্যকশিপুর ভ্রাতা হিরণ্যাক্ষের মৃত্যুর পর হিরণ্যকশিপু ভগবান বিষ্ণুকে শত্রু বলে মনে করতেন। তাই তিনি ভগবান বিষ্ণূকে পরাজিত বা বধ করা ও অমরত্ব প্রাপ্তি হেতু অসুর গুরু শুক্রাচার্যের নির্দেশে ভগবান্ ব্রহ্মার তপস্যা শুরু করেন। তার মতো কঠোর তপস্যা এই সমস্ত সংসারে না কেউ পূর্বে করেছিল, আর না কেউ ভবিষ্যতেও করতে পারবে। তিনি এক পা অন্য পায়ের উরুতে স্থাপন করে এক পায়ের নখের উপর সমস্ত দেহের ভর স্থাপন করে দুই বাহু উর্ধ্বদিকে দিয়ে করজোড়ে ব্রহ্মার তপস্যা শুরু করেন।
তার কঠোর তপস্যার ফলে স্বর্গরাজ্য তথা দেবরাজ ইন্দ্রের সিংহাসন কেঁপে উঠে। দেবরাজ তাঁর সিংহাসন রক্ষার জন্য অসংখ্য অপ্সরা প্রেরিত করেন যারা তার তপস্যায় বাধা সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হন। পরে অগ্নি,পবন ও ইন্দ্রদেব তার তপস্যা ব্যর্থ করতে তার উপর আগুন বাতাস,ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত বর্ষণ করেন। কিন্তু কোনো মতেই হিরণ্যকশিপুর তপস্যা ব্যর্থ করতে পারে না।
হিরণ্যকশিপু যখন তপস্যা করছিল তখন তার দেহকে ঘিরে উই পোকার ডিবি তৈরি হয়েছিল ও তার শরীরের অর্ধেক অংশ উইপোকা খেয়ে ফেলেছিল। তার তীব্র তপস্যার ফলে হিমালয়ের বরফ গলতে থাকে, সমুদ্রের অভ্যন্তরে অগ্নুত্পাত ঘটতে থাকে,সমুদ্রের জলের উচ্চতা ও ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। সূর্য্যের তাপ প্রবল হয়ে উঠে, অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ ধ্বংশপ্রাপ্ত হতে থাকে। এক বিশাল সমস্যার উদ্ভব হয়।
ভগবান্ ব্রহ্মা হিরণ্যকশিপুর তপস্যায় প্রসন্ন হয়ে তাকে ইচ্ছানুসারে বর চাইতে বললেন। সে অমরত্ব বর চাইল। ব্রহ্মা তাকে অমরত্ব ছাড়া অন্য কোন বর চাইতে বললে। তিনি বর চাইলেন, ব্রহ্মার সৃষ্ট কোন দেব-দানব, যক্ষ-রক্ষ, অসুর-মানবের হাতে যেন তার মৃত্যু না হয়, কোন অস্র বা শস্র দ্বারা যেন তার মৃত্যু না হয়, দিন বা রাতে, ঘরে বা বাইরে, স্বর্গে-মর্ত্যে বা পাতালে যেন তার মৃত্যু না হয়।
হিরণ্যকশিপুর মতো এতো কঠিন বর ও কেউ ত্রিলোকে চায় নি। ব্রহ্মা তাকে যথোপযুক্ত বর দান করলেন। অন্যদিকে হিরণ্যকশিপুর পত্নী কয়াদুকে ইন্দ্রদেব হরণ করে। তখন মাতা কয়াদু ছিলেন গর্ভবতী। পথিমধ্যে নারদ কয়াদুকে ইন্দ্রের রথে দেখতে পান ও ইন্দ্রকে কয়াদুকে মুক্ত করার জন্য বলেন। কয়াদু মুক্ত হয়ে নারদ মুনির সাথে হরিমন্দিরে যান। সেখানেই ভক্ত শিরোমনি প্রহ্লাদ কয়াদুর
গর্ভাবস্থায় নারদমুনি কর্তৃক দীক্ষিত হন। প্রহ্লাদ সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন ও হরিভক্তদের সাথে অবস্থান করেন।
এদিকে হিরণ্যকশিপু কয়াদুকে হরণ করার অপরাধে ইন্দ্রের স্বর্গরাজ্য আক্রমন করেন। ইন্দ্র তথা দেবতাগণ পরাজিত হয়ে পলায়ন করেন। হিরণ্যকশিপু ত্রিলোক দখল করে আর অত্যাচার শুরু করে। ভগবান বিষ্ণুর বিগ্রহ তথা দেবতাদের বিগ্রহ ভেঙে ফেলে, যজ্ঞ নষ্ট করে ধর্মাত্মা লোকদের হিরণ্যকশিপুকে প্রভু তথা ত্রিলোকের স্বামী হিসেবে মানতে বাধ্য করেন। আর যারা ভগবান বিষ্ণুর উপাসনা করেন তাদের হত্যা করেন।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে তার চার পুত্রের মধ্যে এক পুত্র ছিলো বিষ্ণুর পরম ভক্ত। আর এই পুত্রটি হলো প্রহ্লাদ। প্রহ্লাদ ও কয়াদুকে নারদ মুনি হিরণ্যকশিপুর কাছে নিয়ে আসলে হিরণ্যকশিপু তাদের গ্রহণ করেন। প্রহ্লাদের বয়স ছিলো তখন পাঁচ বছর।
প্রহ্লাদকে গুরুগৃহে পাঠানো হলো। প্রহ্লাদ ছিলেন হিরণ্যকশিপুর সবচেয়ে বেশি ভালবাসার আদরের। একদিন হিরণ্যকশিপু তার নিজ কোলে প্রহ্লাদকে বসিয়ে জিজ্ঞেস
করলেন, "পুত্র তোমার কোন ব্যক্তি বা বস্তু সবচেয়ে প্রিয়?" প্রহ্লাদ বললেন, "পার্থিব কোন কিছুই আমার প্রিয় নয় বনে গিয়ে শ্রীহরির উপাসনা করতেই আমি সবচেয়ে ভালবাসি।"
এই কথা শুনে হিরণ্যকশিপু চমকে উঠেন। কারণ, যে হরি তার শত্রু তার আপন পুত্রই তার তপস্যা করছে। হিরণ্যকশিপু পুনরায় প্রহ্লাদকে গুরু গৃহে পাঠানলেন কিন্তু কোনো সুফল বা তার পছন্দ মতো হলো না। প্রহ্লাদের মধ্যে হরিভক্তি ক্রমশই বেড়েই চললো। হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদকে বুঝাতে থাকে, "আমার কারণেই তোমার জন্ম হয়েছে, অতএব আমিই তোমার পিতা আর আমি ত্রিলোকের স্বামী বা তোমার ঈশ্বর।"
প্রহ্লাদ বলেন, "সমস্ত বিশ্ব সংসারের সকল জীব ও ত্রিলোক যাঁর হতে সৃষ্ট তিনিই সকলের পিতা ও ঈশ্বর। আর আপনিও তাঁর সৃষ্ট। সেই শ্রীহরি অচ্যুত অবিনাশী ও সকলের মিত্র। আপনি তাঁর শ্মরণ নিলে তিনি অবশ্যই আপনাকে ক্ষমা করবেন।"
হিরণ্যকশিপু ক্রোধে অসুর আর ভয়ানক রাক্ষসদের আদেশ দেয় প্রহ্লাদকে মারার জন্য। প্রহ্লাদের বুকে ত্রিশূল নিক্ষেপ করা হলো। হরি নামের গুণে তার কোমল বক্ষে তা' বিদ্ধ হলো না। পাথরের সাথে বেঁধে সমুদ্রে ফেলে দেয়া হলো, কিন্তু পাথর ভেলার মত ভাসতে লাগলো। উন্মত্ত হাতির পায়ের নিচেয় তাকে চাপা দিয়ে মারার চেষ্টা করা হলো, কিন্তু হাতি হরি ভক্তের চরণে মাথা নত করল। গরম তেলে তাকে ফেলা হলো কিন্তু হরির কৃপায় গরম তেল কোমল পদ্মে পরিণত হলো। স্বর্পের গুহায় তাকে ফেলা হলো কিন্তু স্বর্প ফণা দুলিয়ে নাচতে থাকল। বিষ মিশ্রিত খাদ্য দেয়া হলো, বিষ অমৃততুল্য হয়ে গেলো।
অগ্নিবিজয়ী হিরণ্যকশিপু ভগ্নি হোলিকা প্রহ্লাদকে দগ্ধ করতে গিয়ে নিজেই ভস্ম হয়ে হোলি রঙে পরিণত হলেন। অনাহারে রাখা হল তাকে। কিন্তু মাতা লক্ষ্মী তাকে নিজ হাতে ভোজন করালেন। প্রহ্লাদকে মারতে গিয়ে হিরণ্যকশিপু পতিব্রতা কয়াদুকে বধ করেন। তারপর প্রহ্লাদকে অন্তিম বারে জিজ্ঞেস করলেন, "প্রহ্লাদ তোর হরি কোথায় থাকেন?"
প্রহ্লাদ বললেন, "তিনি সর্বত্র থাকেন।"
হিরণ্যকশিপূ একটি স্তম্ভ দেখিয়ে বললেন, "ঐ স্তম্ভে আছে?"
প্রহ্লাদ বললেন, "আছেন পিতা।"
অসুররাজ হিরণ্যকশিপু পদাঘাতে ঐ স্তম্ভকে চূর্ণবিচুর্ণ করেন আর দেখেন ঐ ভাঙা স্তম্ভকে আসন বানিয়ে বসে আছেন শ্রীহরি। ভগবান শ্রীহরি নৃসিংহ রূপ ধারণ করেন। যাঁর অর্ধেক ছিলো মানুষের ও বাকি অংশ ছিলো সিংহের। শ্রীহরি ব্রহ্মার সৃষ্ট জীব নয়। আর তিনি সম্পূর্ণ মানুষ বা পশুর রূপ ধারণ করেননি ধারণ করেছিলেন নরসিংহ রূপ।
হিরণ্যকশিপু ভগবানকে আক্রমণ করলো। হিরণ্যকশিপুর সাথে ভগবান নৃসিংহ যুদ্ধ করে পরাজিত করলেন ও ভগবান নিজের কোলের উপর তাকে রাখলেন। হিরণ্যকশিপু ভগবান ব্রহ্মা হতে প্রাপ্ত বরের কথা বলেন। তখন শ্রীহরি বললেন, "এখন গোধুলী লগ্ন বা সন্ধ্যা, তুমি আমার কোলের উপর আছ যা গোলোকধাম, বৈকুন্ঠলোক। স্বর্গ বা মর্ত্য নয়, আর অস্ত্র দিয়ে তোমায় মারবো না বরং আমার নখ দিয়ে মারব।"
ভগবান তাঁর নখ দিয়ে হিরণ্যকশিপুকে বধ করেন আর তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করলেন। ভগবান হরি ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেন নৃসিংহ রূপ ধরি। তাই তাঁর শ্রীচরণে আমরা বন্দনা করি। 🙏🙏🙏
শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ ॥
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং
মৃর্ত্যোর্মৃত্যুং নমাম্যহম্ ॥
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিংহ।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মামুখপদ্মভৃঙ্গ ॥
অনুবাদ– জয় শ্রীনৃসিংহদেব, জয় শ্রীনৃসিংহদেব, শ্রীনৃসিংহদেবের জয় হোক! জয় হোক! জয় হোক! সর্বদিক প্রজ্জ্বলনকারী উগ্র বীর, মহাবিষ্ণু, যিনি মৃত্যুরও মৃত্যুস্বরূপ সেই ভীষণ ভদ্র শ্রীনৃসিংহদেবকে প্রণাম জানাই। প্রহ্লাদের প্রভু, পদ্মা অর্থাৎ লক্ষ্মীদেবীর মুখপদ্মের প্রতি ভ্রমর রূপ শ্রীনৃসিংহদেবের জয় হোক, শ্রীনৃসিংহদেবের জয় হোক, জয় হোক।
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ–দায়িনে।
হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ শিলাটঙ্ক–নখালয়ে ॥
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহো
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহঃ।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে ॥
তব করকমলবরে নখমদ্ভুতশৃঙ্গং
দলিতহিরণ্যকশিপুতনুভৃঙ্গম্।
কেশব ধৃত–নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে ॥
অনুবাদ– হে নৃসিংহদেব, আমি আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আপনি প্রহ্লাদ মহারাজকে আনন্দ দান করেন এবং পাথর কাটার ধারালো টঙ্কের মতো আপনার নখের দ্বারা আপনি হিরণ্যকশিপুর বক্ষ বিদীর্ণ করেছিলেন।
শ্রীনৃসিংহদেব, আপনি এখানে রয়েছেন এবং সেখানেও রয়েছেন, যেখানেই আমি যাই, সেখানেই আমি আপনাকে দর্শন করি। আপনি আমার হৃদয়ে এবং বাইরেও রয়েছেন। তাই আমি আদি পুরুষ, পরমেশ্বর ভগবান, শ্রীনৃসিংহদেবের শরণ গ্রহণ করি।
হে নৃসিংহদেব, আপনার পদ্মের ন্যায় হস্তে নখের অগ্রভাগগুলো অদ্ভুত এবং সেই হস্তে হিরণ্যকশিপুর দেহ ভ্রমরের মতো বিদীর্ণ করেছেন।
হে কেশব, আপনি নৃসিংহদেব রূপ ধারণ করেছেন, হে জগদীশ আপনার জয় হোক।
শ্রীনৃসিংহ অষ্টোত্তরশত নাম
১) ওঁ নরসিংহায় নমঃ
২) ওঁ মহাসিংহায় নমঃ
৩) ওঁ দিব্যসিংহায় নমঃ
৪) ওঁ মহাবলায় নমঃ
৫) ওঁ উগ্রসিংহ্যায় নমঃ
৬) ওঁ মহাদেবায় নমঃ
৭) ওঁ স্তম্ভজায় নমঃ
৮) ওঁ উগ্রলোচনায় নমঃ
৯) ওঁ রৌদ্রায় নমঃ
১০) ওঁ সর্বাদ্ভুতায় নমঃ
১১) ওঁ শ্রীমতে নমঃ
১২) ওঁ যোগানন্দায় নমঃ
১৩)ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
১৪) ওঁ হরয়ে নমঃ
১৫) ওঁ কোলাহলায় নমঃ
১৬) ওঁ চক্রিনে নমঃ
১৭) ওঁ বিজয়ায় নমঃ
১৮) ওঁ জয়বর্ধনায় নমঃ
১৯) ওঁ মহানন্দায় নমঃ
২০) ওঁ পঞ্চকাননায় নমঃ
২১) ওঁ পরব্রহ্মণে নমঃ
২২) ওঁ অঘোরায় নমঃ
২৩) ওঁ ঘোরবিক্রমায় নমঃ
২৪) ওঁ জ্বলন্মুখায় নমঃ
২৫) ওঁ মহোজ্বলায় নমঃ
২৬) ওঁ জ্বলমালিনে নমঃ
২৭) ওঁ মহাপ্রভবে নমঃ
২৮) ওঁ নীতলাক্ষায় নমঃ
২৯) ওঁ সহস্রাক্ষায় নমঃ
৩০) ওঁ দুর্নিরীক্ষায় নমঃ
৩১) ওঁ প্রতাপনায় নমঃ
৩২) ওঁ মহাদংষ্ট্রায়ুধায় নমঃ
৩৩) ওঁ প্রজ্ঞায় নমঃ
৩৪) ওঁ চন্ডকোপিনে নমঃ
৩৫) ওঁ সদাশিবায় নমঃ
৩৬) ওঁ হিরণ্যকশিপুধ্বংসিনে নমঃ
৩৭) ওঁ দৈত্যদানবভঞ্জনায় নমঃ
৩৮) ওঁ গুণভদ্রায় নমঃ
৩৯) ওঁ মহাভদ্রায় নমঃ
৪০) ওঁ বলভদ্রায় নমঃ
৪১) ওঁ করালায় নমঃ
৪২) ওঁ বিকরালায় নমঃ
৪৩) ওঁ বিকর্তে নমঃ
৪৪) ওঁ সর্বকর্তৃকায় নমঃ
৪৫)ওঁ শিশুমারায় নমঃ
৪৬) ওঁ ত্রিলোকাত্মনে নমঃ
৪৭) ওঁ ঈশায় নমঃ
৪৮) ওঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
৪৯) ওঁ বিভবে নমঃ
৫০) ওঁ ভৈরবডম্বরায় নমঃ
৫১) ওঁ দিব্যায় নমঃ
৫২) ওঁ অচ্যুতায় নমঃ
৫৩) ওঁ মাধবায় নমঃ
৫৪) ওঁ অধোক্ষজায় নমঃ
৫৫) ওঁ অক্ষরায় নমঃ
৫৬) ওঁ সর্বায় নমঃ
৫৭) ওঁ বনমালিনে নমঃ
৫৮) ওঁ বরপ্রদায় নমঃ
৫৯) ওঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
৬০) ওঁ অদ্ভুতায় নমঃ
৬১) ওঁ ভব্যায় নমঃ
৬২) ওঁ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ
৬৩) ওঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
৬৪)ওঁ অনঘাস্ত্রায় নমঃ
৬৫) ওঁ নখাস্ত্রায় নমঃ
৬৬) ওঁ সূর্যজ্যোতিষে নমঃ
৬৭) ওঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
৬৮) ওঁ সহস্রবাহবে নমঃ
৬৯) ওঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
৭০) ওঁ সর্বসিন্ধিপ্রদায়কায় নমঃ
৭১) ওঁ বজ্রদংষ্টায় নমঃ
৭২) ওঁ বজ্রনখায় নমঃ
৭৩) ওঁ পরন্তপায় নমঃ
৭৪) ওঁ সর্বমন্ত্রৈকরূপায় নমঃ
৭৫) ওঁ সর্বযন্ত্রাত্মকায় নমঃ
৭৬) ওঁ সর্বযন্ত্রবিদারকায় নমঃ
৭৭) ওঁ অব্যক্তায় নমঃ
৭৮) ওঁ সুব্যক্তায় নমঃ
৭৯) ওঁ ভক্তবৎসলায় নমঃ
৮০) ওঁ বৈশাখশুক্লোদ্ভুত্যায় নমঃ
৮১) ওঁ শরণাগত বৎসলায় নমঃ
৮২) ওঁ উদারকীর্তয়ে নমঃ
৮৩) ওঁ পূন্যাত্মনে নমঃ
৮৪) ওঁ মহাত্মনে নমঃ
৮৫) ওঁ চন্ডবিক্রমায় নমঃ
৮৬) ওঁ বেদত্রয় প্রপূজ্যায় নমঃ
৮৭) ওঁ ভগবতে নমঃ
৮৮) ওঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
৮৯) ওঁ শ্রীবৎসাঙ্কায় নমঃ
৯০) ওঁ শ্রীনিবাসায় নমঃ
৯১) ওঁ জগদ্ ব্যাপিনে নমঃ
৯২) ওঁ জগন্মায় নমঃ
৯৩) ওঁ জগতপালায় নমঃ
৯৪) ওঁ জগন্নাাথায় নমঃ
৯৫) ওঁ মহাকায়ায় নমঃ
৯৬) ওঁ দ্বিরূপভৃতে নমঃ
৯৭) ওঁ পরমাত্মনে নমঃ
৯৮) ওঁ পরংজ্যোতিষে নমঃ
৯৯) ওঁ নির্গুনায় নমঃ
১০০) ওঁ নৃকেশরীণে নমঃ
১০১) ওঁ পরমাত্মায় নমঃ
১০২) ওঁ পরতত্ত্বায় নমঃ
১০৩) ওঁ পরমধান্মে নমঃ
১০৪) ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহায় নমঃ
১০৫) ওঁ সর্বাত্মনে নমঃ
১০৬) ওঁ ধীরায় নমঃ
১০৭) ওঁ প্রহ্লাদপালকায় নমঃ
১০৮) ওঁ লক্ষ্মীনৃসিংহায় নমঃ
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
