শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীশ্রীদ্বাদশ গোপালের অন্যতম ব্রজের শ্রীদাম সখা(শ্রীশ্রীঅভিরাম গোপাল ঠাকুর) ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_6.html


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীশ্রীদ্বাদশ গোপালের অন্যতম ব্রজের শ্রীদাম সখা(শ্রীশ্রীঅভিরাম গোপাল ঠাকুর) 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ 🌐 MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
অভিযাত্রী নিত্যানন্দের সমর্থ সেনানী, দ্বাদশ গোপালের অন্যতম ব্রজের শ্রীদাম সখা (শ্রীশ্রীঅভিরাম গোপাল ঠাকুর), শ্রীপাঠ- শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ, কৃষ্ণনগর, খানাকুল, হুগলী।

*পূরবে শ্রীদাম, এবে অভিরাম, মহাতেজপুঞ্জরাশি...।* 

*শ্রীকৃষ্ণচন্দ্রের সখাদের মাঝে মধ্যমনী শ্রীদাম মাত্র কানাই বলাই এর একান্ত আপনই নয়, এদিকে আবার শ্রীমতি রাধারাণীর সহোদর অগ্রজ শ্রীদাম। এই শ্রীদামই এলেন নদীয়া লীলায়* *অভিরাম* হয়ে। *দেবকীনন্দনদাস ঠাকুর তাঁর বৈষ্ণব বন্দনায় বলেছেন-* *ঠাকুর শ্রীঅভিরাম বন্দিব সাদরে। ষোড়শাঙ্গের কাষ্ঠ যেঁহো বংশী করে ধরে।।* *এতে অভিরামের অমিত দৈহিক এবং প্রবল ইচ্ছা শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়।*

*দ্বাপর যুগে শ্রীকৃষ্ণের প্রকট কালীন বৃন্দাবন লীলার সময়। একদিন কৃষ্ণ-বলরাম এসেছেন গোচারণে। সাথে সব সখাগণ। গোবর্ধন পর্বত অঞ্চলে লুকোচুরি খেলতে খেলতে শ্রীদাম সবার চোখের আড়ালে ঢুকে পড়লেন এক গিরিকন্দরে। ভাবছেন এখন হয়তো তাকে খুঁজে ফিরছেন কানাই। বড় ভালোবাসেন তাকে, এই অনুভব মাত্রই বিহ্বলতার স্বাভাবিক সঞ্চার হল শ্রীদামের অন্তরে। তিনি আবেশভরে প্রায় হতচেতন হয়ে পড়লেন। ওদিকে সময় বয়ে যেতে লাগল। এমনিভাবেই পার হয়ে গেল দ্বাপর যুগ। শ্রীদাম কিন্তু সেই গোবর্ধন পাহাড় এর গুহাতেই....।*
*কাল কারও বাধ্য নয়। দ্বাপর অতিক্রান্ত হয়ে কলিযুগের শুভ আরম্ভ হল। এ যুগের প্রথম সন্ধ্যায় শ্রীমন্মহাপ্রভু আবির্ভূত হলেন। তার ১২ বছর আগেই ঘটেছে প্রভু নিত্যানন্দের অবতরণ। কালে মিলন হল নিতাই চাঁদের সাথে মহাপ্রভুর, নবদ্বীপে নন্দন আচার্যের ঘরে। পতিত পাবনী লীলায় সবাই আছেন। মাত্র নাই শ্রীদাম। মহাপ্রভুর ইচ্ছানুমতে প্রভু নিত্যানন্দ এবার খুঁজতে বের হলেন শ্রীদাম কে। এলেন ব্রজমণ্ডলে। ঘুরতে ঘুরতে পূর্বলীলায় গোচারণভূমি গোবর্ধন এসে নিত্যানন্দ পর্বতের গুহায় পেয়ে গেলেন শ্রীদামকে।*

 *শ্রীদাম এখনো দ্বাপর যুগের স্বরূপে আছেন। তার দেহ আপন হাতের সাত হাত লম্বা। তেমনি উজ্জ্বল কান্তিমান বলিষ্ঠ গঠন । এই গঠনেই তিনি প্রবন্ধের সাথে সাথে গৌড় দেশে সমাগত হয়ে শ্রীগৌরকৃষ্ণের সামনে উপস্থিত হলেন। মহাপ্রভু কে দর্শন করেই শ্রীদাম বড় বিহ্বল হয়ে পড়লেন। বহুদিন পরে আপন অন্তরের জনকে কাছে পেয়ে। বৃন্দাবনে খেলায় মেতে প্রায়শঃই শ্রীদামের কাঁধে চড়তেন বলরাম আর কৃষ্ণচন্দ্র। এখন সময় বুঝে নিতাই চাঁদ শ্রীদামের কাঁধে চড়ে বসলেন আর মহাপ্রভুও আবেশ ভরে চড়লেন অপর কাঁধে। তাদের ইচ্ছায় শ্রীদামের দেহ খর্ব হয়ে গেল। এতক্ষণে তিনি হলেন একালের অনুমত দেহবিশিষ্ট। প্রভুদের ইচ্ছামতে শ্রীদামের নতুন নাম হল "অভিরাম"।*
*বিভিন্ন শাস্ত্রে আমরা অভিরাম ঠাকুরের বহু দিব্য লীলার কথা জানতে পারি।শ্রীমন্মহাপ্রভুর সন্ন্যাসের পর মালিনী দেবীর সাথে অভিরাম ঠাকুরের বিবাহ হয়। শ্রীঅভিরাম ঠাকুর বিল্লক গ্রামে ষোলসাঙ্গের একটা কাঠের গুঁড়ি নিয়ে তা বংশীর মতো ধরে সেটা কে কৃষ্ণনগরে এনে পুঁতে দিয়েছিলেন।সেই কাঠটি একটা বকুলবৃক্ষে পরিণত হয়। সেই বকুল গাছ ফল শুন্য,সারা বছর ফুল হয়।*
*অমৃতারন্দ নামে একজন সাধু সেই বৃক্ষটিকে ভস্মীভূত করে দেন।শ্রীঅভিরাম ঠাকুর এসে বৃক্ষটিকে পুনর্জীবিত করেন।তারপর উনি শ্রীঅভিরাম ঠাকুরের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।*

*পরম শক্তিধর অভিরাম প্রেমভরে প্রণাম করলে অনেক শ্রীবিগ্রহ বা বিষ্ণু চক্র শালগ্রাম ঘেমে উঠতো বা ফেটে যেত। অনুমান, সেবার অভাবে এই বিগ্রহ গুলিতে শ্রীভগবানের অধিষ্ঠান ষোলআনা হয়তো থাকত না।*

*একবার খড়দহ কুঞ্জবাটিতে আসলেন অভিরাম। বারবার দেখতে চাইলেও বসুধা দেবী ছেলেকে দেখাতে চাইলেন না। এদিকে শিশু ক্রন্দন শুরু করে দিল। তখন কি ভেবে জাহ্নবা মাতা ঠাকুরাণী বীরচন্দ্রকে বাইরে নিয়ে আসলেন। অভিরাম আবেশভরে বার বার প্রণাম করতে লাগলেন। অভিরাম কে দেখেই শিশু খিলখিল করে হাসতে লাগল। বসুধা দেবী নিশ্চিন্ত হলেন। অভিরাম প্রসন্ন হলেন। তিনি বুঝলেন যোগ্যস্থলেই তিনি প্রণাম নিবেদন করেছেন। এমনি আবার হয়েছিল শ্রীখন্ডের রঘুনন্দনের বেলায় ও।*

*কৃষ্ণনগরের কাছাকাছি বীরলোক গ্রামে। বীরলোককে অনেকে বিল লোক ও বলে থাকেন। এই গ্রামের উত্তর দিকে শ্মশান ক্ষেত্র। সেখানে বিরাজমান আছেন গ্রাম্য দেবী বাশুলী বা শ্মশানকালী। একদিন বিল্লোকগ্রামের পথে সকালবেলায় বেড়াতে বেড়াতে অভিরাম দেখলেন এক বিধবা স্ত্রীলোক পথের উপরে বসে কাঁদছেন। জিজ্ঞাসায় জানলেন এই বিধবা ব্রাহ্মণীর একমাত্র পুত্র সন্তান, গ্রাম্য দেবী বাশুলী স্বপ্নে জানিয়েছিলেন বিধবাকে, তিনি ওই ছেলেটিকে নৈবেদ্যরূপে গ্রহণ করবেন। ছেলেটিকে আজ দুদিন পাওয়া যাচ্ছে না এ কথা শুনে ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে অভিরাম সোজা চলে গেলেন সেই শ্মশান কালীর স্থানে। বললেন কোথায় আছে ওই বামুনের ছেলেটি? তাকে এখনই ফিরিয়ে দাও। আমি আর একদিন আছি এখানে। এর মাঝেই তাকে দেখতে চাই। অভিরামের তর্জন-গর্জন এর ফল ফলল। সেদিন বিকালে পাওয়া গেল মায়ের একমাত্র সন্তান কে।*

*রামকুন্ড নামক দীঘি হতে পাওয়া মণিময় সুদর্শন শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহ স্থাপন করেছিলেন। পরে গোপীনাথের পাশে স্থাপিত হয়েছিল দারুময় বলরাম বিগ্ৰহ। আর শ্রীধর শালগ্ৰাম, যা আজও বিরাজমান। এখানে অভিরামের নৃত্যপর বিগ্রহ রয়েছে।*

*গৌরহরি; এসেছিলেন কৃষ্ণনগরে শ্রীগোপীনাথের প্রাকট্য উৎসবে।*

*(মালিনী দেবী যবনের ঘরে পালিত হয়েছিলেন বলে সমাজে অনেকে কুকথা বলতো)। গৌরহরির আদেশে মালিনীদেবী প্রসাদ রন্ধন করলেন। গোপীনাথের ভোগ গ্রহনের সময় গৌরহরি সবাইকে বলেন "মালিনী দেবী কোনো সামান্য নারী নহে,মালিনী অভিরামের শক্তিস্বরূপা। তাঁকে কেউ অবজ্ঞা কোরনা।*
*প্রসাদ পরিবেশনের সময় মালিনী দেবীর ঘোমটা পড়ে যায়।সেই মুহূর্তে মালিনী দেবী চতুর্ভূজ রূপে পুনরায় ঘোমটা দেন।*

*শ্রীঅভিরাম ঠাকুরের কাছে একটা চাবুক তার নাম ছিল জয়মঙ্গল, সেটা দিয়ে যাকেই স্পর্শ করতেন তারই কৃষ্ণপ্রেমের উদয় হত।*

*বগড়ী-কৃষ্ণনগর, পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি জানাশোনা স্থান। বগড়ীর রাজ্যধর বটব্যাল ছিলেন মহারাজা গজপতি সিংহের দেওয়ান। কাজের গুনে ব্যবহারের কুশলতায় আর সবিনয় আচরণের পরিণামে তিনি গজপতি সিংহের অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়েছিলেন এবং পরিণামে গজপতি তাঁকে "রাজা" উপাধিতে ভূষিত করেন। সম্মানজনক এই রাজা উপাধিই কালে বিবর্তিত হয়ে "রায়" পদবীতে দাঁড়িয়েছে। ইনি আনুমানিক আজ হতে কমবেশি আট শত বৎসর আগের লোক। এর উত্তরাধিকারীরা রাজ্য ধর রায় হতে ১৭/১৮ পুরুষ নিম্নক্রমে বর্তমান। গ্রামের উপর দিয়েই প্রবহমান স্রোতস্বিনী শিলাবতী নদী, যার চলতি নাম "সিলাই"। সিলাই নদীর প্রদেশেই পূর্বোক্ত রাজ্য ধর রায় সুপরিসর সুদর্শন মন্দির নির্মাণ করেন, আর সেই মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন একক কৃষ্ণরায় ঠাকুরের মণিময় সুঠাম ত্রিভঙ্গ বেনুবাদন পর বিগ্রহ। ( বর্তমানে কৃষ্ণরায় ঠাকুরের বাম ভাগে শ্রীমতীর অষ্টধাতুর শ্রীবিগ্রহ দেখা গেলেও এই রাধারানীর শ্রীমূর্ত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন পরবর্তীকালে কোনও জনের দ্বারা। পূর্বোক্ত রাজ্যধর রায়ের দ্বারা নয়।)*
*দিব্য দেহি কৃষ্ণরায় অতীব সুগঠন। দেখলেই মনে ধরবে সত্যি সত্যি গোয়ালাদের ছেলেই বটে। চার ঘাঁ দিতে তো পারবেই, ক্ষেত্রবিশেষে চার ঘা খেয়ে হজম করতেও পিছোবে না। শ্রীমতিও অনুরুপা। যোগ্য যোগাযোগ। মনিকাঞ্চন সম্মেলন ঠাকুর বছরে তিন জায়গায় থাকলেও প্রধানত তার থাকবার ঠাঁই দুই জায়গায়।*
*বগড়ী কৃষ্ণনগর এর চিলাই নদীর পুলিন প্রদেশ বিরাজিত পঞ্চচূড় মন্দিরে এবং অদূরে মায়তা গ্রামের নিভৃত নিবাসে। কার্তিকী পূর্ণিমার পরবর্তী চতুর্থ দিনে (মায়তায় রাস উৎসব সমাধান করে) বগড়ীতে এসে কৃষ্ণরায় হারাহারি 6 মাস থাকেন। পরে আবার চলে আসেন মায়তায় __রথযাত্রা উপলক্ষ্যে। মায়তার শ্রীমন্দিরে রথযাত্রা উৎসব অন্তে উল্টোরথের পরে নবমীতে কৃষ্ণরায়ের শৃঙ্গার দর্শন। রাস পর্ব অবধি থাকেন এখানে। বকুল কুঞ্জে রাস হয়। পরে বগড়ীর শ্রীমন্দিরে মকর উৎসব হতে ফাল্গুনী দোলযাত্রা অবধি সমাহিত হয়। মোটকথা দেখে শুনে মনে হল , প্রাচীনতার পরশ রয়েছে সর্বত্র। একটা সেকেলে সুবাস ছড়িয়ে আছে ঠাকুর হতে সেবা-বিধান অবধি।*
‌ *উত্তরকালে পরিণত বয়সে গার্হস্থ্য ধর্মের প্রবেশ করেছিলেন অভিরাম। আপন শ্রীপাট কৃষ্ণনগরে অভিরাম স্থাপন করেছিলেন, নিকটস্থ রামকুণ্ড নামে দিঘি হতে পাওয়া সুদর্শন শ্রীগোপীনাথ বিগ্ৰহ। পরে গোপীনাথ এর পাশেই স্থাপিত হয়েছিল দারুময় বলরাম বিগ্রহ আর শ্রীধর শালগ্রাম যা আজও বিরাজমান। এখানে অভিরামের নৃত্যপর বিগ্ৰহ ও রয়েছে।*
তথ্য ঋণ __ *শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ-লীলাসহচর দ্বাদশ গোপাল গ্রন্থ হতে।।* 🙏🏻🙏🏻

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ, কৃষ্ণনগর, খানাকুল👉 https://drive.google.com/drive/folders/1i42HQR4ghZ3aS4k_BfXvhiUcPkwKU_KC
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds