✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৮২. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori82.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৮৩. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori83.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী*
<><><><><><><><><><><><>
*🌻শ্রীচরিতামৃতে এই প্রসঙ্গে লেখা আছে যে=*
*🌹সন্ধ্যায় ভোগ লাগে অমৃত কেলি নাম।*
*🌹দ্বাদশ মৃৎ পাত্র ভরি অমৃত সমান।।*
*🌹গোপীনাথের ক্ষীর বলি প্রসিদ্ধি যাহার।*
*🌹পৃথিবীতে ঐছে ভোগ কাঁহা নাহি আর।।*
*🌻এই প্রসঙ্গে জানা দরকার যে শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী অযাচক বৃত্তি অবলম্বনে দিন যাপন করতেন।মাগিয়া বা ভিক্ষা করে তিনি কখনও নিজ আহার্য্য সংগ্রহ করতেন না।প্রকৃত ভক্তের যোগক্ষেম ভগবান স্বয়ং নিজেই বহন করেন এবং এই ভাবেই তিনি তাঁর ভক্তকে চিরকাল রক্ষা করেন।অমৃতকেলি ভোগের নাম শুনে এইরকম যে পুরী গোস্বামীর মনে হঠাৎ বাসনা হল যে কি এমন ক্ষীর প্রসাদ যে তাঁর মাহাত্ম্য এমন হতে পারে।এইরকম ক্ষীর প্রসাদ যদি তাঁর ভাগ্যে একটু জুটিত তাহলে তিনি তা আস্বাদন করে বৃন্দাবনে তাঁর শ্রীগোপালজীকে তা ভোগ দিতেন। অর্থ্যাৎ প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপালজীকে ভোগ দেওয়া নিজে পাওয়া নহে। কিন্তু এইরকম লালসা বা বাসনা জাগ্রত হওয়া অযাচক বৃত্তি অবলম্বনকারী সাধু বৈষ্ণবের নিকট নীতি বিরুদ্ধ এবং সেইজন্য তিনি আত্মগ্লানিতে পীড়িত হতে লাগলেন। অবশেষে মন্দিরের ভোগরাগ সমাপ্ত হয়ে গেলে তিনি কৃষ্ণনাম জপ করতে করতে রাত্রির অন্ধকারে কাছেই একটি হাটে বা বাজারে বসে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় রাত্রি কাটাতে লাগলেন।মনের এই গুপ্ত বাসনা আর কেউ জানতে পারলেন না, কিন্তু যিনি জানবার তিনি ঠিকই জেনেছিলেন এই জন্যই ভগবানের আরেক নাম ভাবগ্রাহী জনার্দন।এদিকে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে গেল।মন্দিরের সেবা পূজা সমাপ্ত করে সেবক বিগ্রহের নিত্য নৈমিত্তিক কার্য্যকলাপ সমাপ্ত করে গভীর নিশিতে নিদ্রামগ্ন। হঠাৎ তিনি স্বপ্নাবেশে দেখলেন যে স্বয়ং গোপীনাথজী তাঁর শিয়রে দাঁড়িয়ে থেকে বলছেন যে ঃ----*
*🌷উঠহ পূজারী করো দ্বার উন্মোচন।*
*🌷ক্ষীর এক রাখিয়াছি সন্ন্যাসী কারণ।।*
*🌷ধড়ার অঞ্চলে ঢাকা ক্ষীর এক হয়।*
*🌷তোমরা না জানিলে তাহা আমার মায়ায়।।*
*🌷মাধবপুরী সন্ন্যাসী আছে হাটেতে বসিয়া।*
*🌷তাঁহাকে তো এই ক্ষীর শীঘ্র দেহ লইয়া।।*
*🌻গভীর নিশীথে এইরকম অস্বাভাবিক স্বপ্নদেশ পেয়ে পূজারী শয্যা ত্যাগ করে স্নান করে শুদ্ধাচারে মন্দিরের দরজা খুললেন।মনে প্রচণ্ড আলোড়ন কারণ যে স্বপ্ন তিনি দেখেছেন তার বাস্তবতা কতখানি তা প্রত্যক্ষ করবার জন্য।যাই হোক, তিনি তখন দেখলেন যে গোপীনাথজীর পীতধড়ার নিচে এক ভান্ড ক্ষীর প্রসাদ লুকিয়ে রেখেছেন এবং তিনি চিত্ত প্রসাদে ও আত্মতৃপ্তিতে ভরপুর হয়ে গেলেন কারণ এতদিনে তিনি তাঁর গোপীনাথ সেবার প্রকৃত উপহার প্রাপ্ত হলেন।তখন সেই ক্ষীর প্রসাদ মস্তকে ধারণমাত্র তাঁর সর্বাঙ্গে অষ্ট সাত্ত্বিক ভাব বিকার পরিলক্ষিত হল এবং তিনি গোপীনাথজীর অপার করুণার কথা স্মরণ করে ভাবাবেশে রোদন করতে লাগলেন।তখন তিনি স্বপ্নাদেশ পালনের জন্য সেই ক্ষীর ভান্ড মাথায় ধারণ করে কাছের সেই হাটে গেলেন, এবং কে মাধবপুরী তা খোঁজ করতে লাগলেন।এই প্রসঙ্গে শ্রীচরিতামৃতের কিছু বর্ণনা আস্বাদন করুন।*
*🌷ক্ষীর লহ এই যার নাম মাধবপুরী।*
*🌷তোমার লাগি গোপীনাথ ক্ষীর কৈল চুরি।।*
*🌷ক্ষীর লইয়া পুরী তুমি করহ ভক্ষণে।*
*🌷তোমা সম ভাগ্যবান নাহি ত্রিভবনে।।*
*🌲পুরী গোঁসাই তখন গভীর রাত্রে অন্ধকারের মধ্যে নির্জন সেই হাটের এক প্রান্তে বসে নামানন্দে বিভোর, বাহ্যজ্ঞান নেই।কিন্তু হঠাৎ তাঁর নিজ নাম কর্ণে শোনা মাত্র তিনি নিজ পরিচয় প্রদান করলে সেবক সেই ক্ষীর চুরির অপূর্ব প্রসঙ্গ সব তাঁকে বললেন এবং তাঁর শ্রীচরণে দন্ডবৎ প্রণাম করে অপ্রাকৃত সেই ক্ষীর পুরী গোসাঞীকে সমর্পণ করলেন।ক্ষীর প্রসাদ স্পর্শ মাত্র পুরী গোঁসাই এর বাহ্যজ্ঞান বিলুপ্ত হল।প্রভুর অপার করুণার কথা স্মরণ করে প্রেমাবেশে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন।শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামীর ভাষায় তাঁর অবস্থা অনেকটা এইরকম=*
*🌷স্বেদ কম্প পুলক অশ্রু গদগদ বৈবর্ণ্য।*
*🌷উন্মাদ বিষাদ ধৈর্য্য গর্ব্ব হর্ষ দৈন্য।।*
*🌷এই ভাবে প্রেমা ভক্তগণেরে নাচায়।*
*🌷কৃষ্ণের আনন্দামৃত সাগরে ভাসায়।।*
*🌹পরে বাহ্যজ্ঞান প্রাপ্ত হলে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী সেই ক্ষীর প্রসাদ মস্তকে ধারণ করে কিঞ্চিৎ আস্বাদন করে প্রায় পাগলের ন্যায় তাঁর সর্ব অঙ্গে লেপিতে লাগলেন। অবশেষে সেই মৃৎপাত্রটি টুকরো টুকরো করে তাঁর বহির্বাসে বেন্ধে নিলেন।পূজারী সব দেখে শুনে অবাক। ভক্তের প্রতি ভগবানের কৃপার এতবড় দৃষ্টান্ত খুবই বিরল।সেই হতেই এই শ্রীবিগ্রহের নূতন নামকরণ হয় "ক্ষীরচোরা গোপীনাথ"।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৮৪. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori84.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
