✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ৮৯. দীক্ষার আবশ্যকতা 📖 বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob89.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 👉 ৯০. শ্রীবিষ্ণুই দীক্ষার স্বামী 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob90.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯০)গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস*
*🌹🌹বর্ণ---------প্রকরণ🌹🌹*
*🙏শ্রীবিষ্ণুই দীক্ষার স্বামী 🙏*
#####################
*🌷অতএব বিষ্ণু-পূজা করলে সকল দেবতারই সন্তোষ সাধিত হয়। তাই শ্রীমদ্ভাগবতে ৪|৩১|১২ উক্ত হয়েছে =*
*"যথা তরোর্মূল নিষেচনেন তৃপ্যন্তি তৎ স্বন্ধভুজোপশাখাঃ।*
*প্রাণোপহারাচ্চ যথেন্দ্রিয়ানাং তথৈব সর্বার্হণমচ্যুতেজ্যা"।।*
*🌻অর্থ্যাৎ তরু-মূলে জল সেচন করলে যেমন তার কান্ড-শাখা-প্রশাখা পর্য্যন্ত প্রফুল্ল হয়ে থাকে,অন্নাহার করলে যেমন সমস্ত ইন্দ্রিয়ের পরিপুষ্টি ও স্ফুর্তি সাধিত হয় সেইরকম একমাত্র অচ্যুত শ্রীহরির অর্চনা করলেই সকল দেবতারই তৃপ্তি হয়ে থাকে।*
*🍁এই কারণেই দীক্ষিত ব্যক্তি বৈষ্ণব নামে অভিহিত হয়ে থাকেন।দীক্ষিত ব্যক্তি দীক্ষা গ্রহণের পরে সর্বথেবময় বিষ্ণুকে আপন প্রভু স্বীকার করে তাঁর পূজা করে থাকেন। দীক্ষিত ব্যক্তির মন্ত্র-দেবতার পূজা করা নিত্য কর্তব্য। যথা আগমে পায়=*
*"লব্ধা মন্ত্রস্তু যো নিত্যং নার্চয়েন্মন্ত্র-দেবতাং।*
*সর্বকর্মাফলং তস্যানিষ্টং যচ্ছতি দেবতা"।।*
*🍀অর্থ্যাৎ যে ব্যক্তি মন্ত্র লাভ করে প্রত্যহ মন্ত্র-দেবতাকে অর্চনা না করেন, তাঁর সমস্ত কর্ম নিষ্ফল হয় এবং মন্ত্র-দেবতা তাঁর অনিষ্ট সাধন করেন।*
*💧অতএব দীক্ষগ্রহণ যে সকলেরই অবশ্য কর্তব্য, তাতে কোন সন্দেহ নাই। আবার দীক্ষিত ব্যক্তি যে "বৈষ্ণব"নামে অভিহিত হয়ে থাকেন,তা ঐতরেয় ব্রাহ্মণে স্পষ্ট বিবৃত হয়েছে =*
*"বৈষ্ণবো ভবতি বিষ্ণু র্বৈ যজ্ঞ স্বয়মেবৈনং।*
*তদ্দেবতরা স্বেন চ্ছন্দসা সম্বর্ধয়তি"।।*
*(১ পঞ্জিকা,৩অ,৪র্থ খন্ড)*
*🌺যে ব্যক্তি বিষ্ণু দীক্ষা গ্রহণ করেন, সে ব্যক্তি "বৈষ্ণব" নামে অভিহিত হয়ে থাকেন।যজ্ঞই বিষ্ণুর নাম।বিষ্ণু-দেবতা স্বয়ং স্বতন্ত্র রূপে সেই পুরুষের (যাঁর নিকট হতে দীক্ষা গ্রহণ করা হয় এ যিনি বৈষ্ণব হন তাঁদের) বর্ধন করে থাকেন।*
*🌹এই বৈদিক সিদ্ধান্ত অনুসারেই শ্রীহরিভক্তি-বিলাসের দ্বিতীয় বিলাসে বিষ্ণু-যামলের এই কথা উদ্ধৃত হয়েছে।*
*"অতো গুরুং প্রণম্যেবং সর্বস্বং বিনিবেদ্য চ।*
*গৃহ্নীয়াদ্বৈষ্ণবং মন্ত্রং দীক্ষা পূর্বং বিধানতঃ"।।*
*🙏অতএব গুরুদেবকে প্রণাম করো।আপনার সর্বস্ব শ্রীগুরুচরণারবিন্দে সমর্পণ করো এবং দীক্ষা পূর্বক যথাবিধি বৈষ্ণব গ্রহণ করো। দীক্ষার শব্দের ব্যুৎপত্তি। যথা=*
*🌻🌻দীক্ষা শব্দের ব্যুৎপত্তি🌻🌻*
*"দিব্যজ্ঞানং যতো দদ্যাৎ কুর্য্যাৎ পাপস্য সংক্ষয়ং।*
*তস্মাদ্দীক্ষেতি সা প্রোক্তা দেশিকৈস্তত্ত্বকোবিদৈঃ"।।*
*🌺অর্থ্যাৎ যা দিব্যজ্ঞান প্রদান করে এবং পাপক্ষালন করে,সেই প্রকরণকে তত্ত্বজ্ঞ দেশিকগণ দীক্ষা বলে থাকেন।*
*🌼বিষ্ণুমন্ত্র গ্রহণ করে যিনি "বৈষ্ণব" সংজ্ঞা লাভ করেন অর্থ্যাৎ যিনি ধর্মে বৈষ্ণব কর্মে বৈষ্ণব, এমন কি জাতি-পরিচয়েও বৈষ্ণব বলে অভিহিত সঙ্গে থাকেন,তাঁতে জাতিভেদ বা জাতিবুদ্ধি থাকতে পারে না।সকল বৈষ্ণবই তখন এক স্বতন্ত্র বৈষ্ণবজাতিতে পরিণত হন। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উক্ত হয়েছে =*
*"ব্রহ্ম ক্ষত্রিয় বিটশূদ্রা শ্চতস্রো জাতয়ো যথা।*
*স্বতন্ত্রা জাতিরেকা চ বিশ্বেষু বৈষ্ণবাভিধা"।।*
*(ব্রহ্মখন্ড=১১|৪৩)*
*🍀অর্থ্যাৎ ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য ও শূদ্র এই চার জাতি ; কিন্তু জগতে বৈষ্ণব নামে এক জাতি আছে, তা এই চারজাতির অন্তর্গত নহে,স্বতন্ত্র বা স্বাধীন।পরন্তু চার-বর্ণের উপরিচর=*
*⭐তাদৃশ বৈষ্ণবের জাতিভেদ বা জাতিবুদ্ধি করা শাস্ত্রে ঘোর অপরাধজনক কীর্তিত হয়েছে। যথা ইতিহাস-সমুচ্চয়ে-------*
*"শূদ্রম্বা ভগবদ্ভক্তং নিষাদং শ্বপচং তথা।*
*বীক্ষতে জাতি সামান্যাৎ স যাতি নরকং ধ্রুবং"।।*
*☘বৈষ্ণব---স্বতন্ত্র---জাতি☘*
*অর্থ্যাৎ ভগবদ্ভক্ত বা বৈষ্ণব শূদ্র, চন্ডাল বা শ্বপচ যে কোন হীন কুলে জন্মগ্রহণ করলেও তাকে সামান্যজাতি রূপে, বা অন্য শূদ্রাদি যেরকম, ইনিও সেইরকম ইত্যাদি সমানজাতি রূপে দর্শন করলে নিশ্চয় নরকগামী হতে হয়।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ৯১. বর্ণ------প্রকরণ 🏵️ বৈষ্ণব শূদ্র নহে 📖 বৈষ্ণব বিবৃতি🙏শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob91.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
