শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

১৭৩. বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কঠোর ভজন-বৃত্তান্ত শ্রবণে শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যের দুঃখ, শ্রীজাহ্নবা ও সীতাদেবীর সহিত প্রিয়াজীর মিলন 🙌 শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bishnupriya173.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
    এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
*(১৭৩)👣শ্রীশ্রীঈশ্বরী বিষ্ণুপ্রিয়া👣*
*😭বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কঠোর ভজন-বৃত্তান্ত শ্রবণে শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যের দুঃখ,শ্রীজাহ্নবা ও সীতাদেবীর সহিত প্রিয়াজীর মিলন😭*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻পরম কৃপাময়ী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর আহারের অল্পতার পরিমাণ বুঝে নিন। ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর জপ করে মৃৎ-ভান্ডে (একটি মাটির ছোট পাত্রে)একটি করে তন্ডুল রাখতেন।তৃতীয় প্রহরের সময় সেই তন্ডুলের(চালের) সংখ্যা কত হ'ত, তা অনুমান করুন।সেই জপ সঞ্চিত চাল পাক করে প্রসাদ বিতরণ করে অবশিষ্ট যৎকিঞ্চিৎ যা থাকত,তাইই প্রসাদ পেতেন।শ্রীঈশ্বরীর আহার ছিল না বললেই হয়।ঈশান নাগর নবদ্বীপ হতে শান্তিপুরে ফিরে এসে অদ্বৈতাচার্য‍্যের নিকটে দেবীর কঠোর ভজন-বৃত্তান্ত যথাযথ বর্ণনা করে কাঁদতে কাঁদতে বললেন=*
*🍀যে কষ্ট সহেন মাতা কি কহিমু আর।*
*🍀অলৌকিক শক্তি বিনা ঐছে সাধ‍্য কার।।অঃপ্রঃ।।*
*🌻অদ্বৈতাচার্য‍্য বিষ্ণুপ্রিয়া মাতার কঠোর ভজনের কথা শুনে বালকের মতো কাঁদতে লাগলেন। "সকলি কৃষ্ণের ইচ্ছা" এই বলে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কেঁদে ফেললেন এবং অনেক কষ্টে মনের খেদ সম্বরণ করলেন।*
*🍀তাহা শুনি মোর প্রভু করয়ে ক্রন্দন।*
*🍀কৃষ্ণ ইচ্ছা মানি করে খেদ সম্বরণ।।ঐ।।*
*🌻শ্রীশ্রীবিষ্ণপ্রিয়ার ভজন বৃত্তান্ত মহাপ্রভুর ভক্তবৃন্দ সকলেই শুনলেন।শচীমা নেই,আর কে বিষ্ণুপ্রিয়াকে এই কাজ হতে বিরত করবে?দেবীর আহার নেই বললেই চলে,শরীর জীর্ণ ও শীর্ণ হয়েছে, কিন্তু সর্বাঙ্গ দিব‍্য জ‍্যোতিপূর্ণ।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী এক্ষণে মনের সাধ মহাযোগিনী সেজেছেন।সে যোগিনী মূর্তি শ্রীগৌর ভক্তগণের চক্ষে ভাল লাগছে না।শ্রীগৌরহরির সন্ন‍্যাস মূর্তি তাঁদের নয়নে ভাল লাগেনি, দেবীর যোগিনী মূর্তিও তদ্রূপ তাঁদের চক্ষে ভাল লাগেনি।যখনই বিষ্ণুপ্রিয়ার যোগিনী মূর্তি ভক্তগণের মনে পড়ে কেঁদে আকুল হয়ে যান।কি করবেন,উপায় নাই। দেবীকে কারও কিছু বলবার অধিকার বা সাধ‍্য নেই।বিষ্ণুপ্রিয়া মাতা ইচ্ছাময়ী। তিনি ভক্তের কষ্ট বুঝতে পেরেই ইচ্ছা করেই তাঁর কাছে কাউকেও আসতে নিষেধ করেছেন।*
*🍀ভক্তদ্বারে দ্বার রুদ্ধ কৈলা স্বেচ্ছাক্রমে।*
*🌻দামোদর ও গদাধর পন্ডিত প্রভৃতি একান্ত অনুরক্ত ভক্ত ভিন্ন বিষ্ণুপ্রিয়ার কাছে ভজন মন্দিরে যাবার কারও অনুমতি নাই।ঈশান নাগর অতি সাধ‍্য-সাধনায় বিষ্ণুপ্রিয়ার শ্রীমন্দিরে যাবার অনুমতি পেয়েছিলেন। শ্রীগৌরাঙ্গ জীব শিক্ষার জন্য নিজে আচরণ করে কঠোর ভজনের চরম আদর্শ দেখিয়ে গিয়েছেন।মহাপ্রভুর কঠোর ভজনের সব কথায় দেবীর শ্রুতিগোচর হয়েছে।তিনিও তাঁর প্রাণবল্লভের প্রদর্শিত পথ অবলম্বন করতে বহুদিন হতে প্রয়াসী ছিলেন, কিন্তু বৃদ্ধা শাশুড়ির মনে নিদারুণ কষ্ট হবে জেনে বিষ্ণুপ্রিয়া একাজে বিরতা ছিলেন।শ্রীমতী তাঁর প্রাণবল্লভের নিকট একদিন প্রার্থনা করেছিলেন=*
*🍀আপনি যে সব তুমি নিয়ম পালিবে।*
*🍀তা হ'তে কঠোর নিয়ম এ দাসীরে দিবে।।*
*🌺এক্ষণে সময় পেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়া নিজ মনের মত অভিলাষ পূর্ণ করছেন।শ্রীগৌরাঙ্গ-ঘরণী তাঁর প্রাণবল্লভের পথানুসরণ করেছেন।এতে কার কি বলবার আছে? কিন্তু ঈশ্বরীর এই কাজে ভক্তগণের হৃদয় ফেটে যাচ্ছে।ত্রৈলোক‍্যের অধীশ্বরী, রাজরাজেশ্বরী শ্রীগৌরাঙ্গঘরণীকে দীনা,ভিখারিণী যোগিনীর সাজে সজ্জিতা দেখে আজ তাঁদের হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছে।এই হৃদয় বিদারক দৃশ‍্যে তাঁদের মর্মের অন্তস্থলে আঘাত লাগছে।অদ্বৈতাচার্য‍্যের মত "সকলি কৃষ্ণের ইচ্ছা" এই মনে করে তাঁরা হৃদয়ের আবেগ ও মনের খেদ সম্বরণ করছেন।*
*🙏শ্রীনিত‍্যানন্দ ঘরণী শ্রীজাহ্নবা দেবীর কর্ণে বিষ্ণুপ্রিয়ার কঠোর ভজনের কথা পৌঁছেছে।জাহ্নবার কোমল হৃদয়ে বড় ব‍্যথা লাগল।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়ার সহিত শ্রীমতী জাহ্নবা দেবীর কখনও সাক্ষাৎ হয়নি।* *শ্রীনিতাইচাঁদের মুখে এবং পরম্পরায় তিনি শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়ার সব কথায় শুনে ছিলেন।*
*🍀পূর্বে লেখা হয়েছে,বংশীবদন মহাপ্রভুর গৃহের কাছে নবদ্বীপে বাস করতেন।মহাপ্রভুর গৃহ ও বংশীবদনের কুটির অতি নিকটবর্তী ছিল।শ্রীমতী জাহ্নবাদেবী বংশীবদনের পুত্র চৈতন‍্যের গৃহে নবদ্বীপে আসিলেন।আসিবার প্রথম উদ্দেশ্য শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে দর্শন, দ্বিতীয় উদ্দেশ্য চৈতন‍্যের পুত্র রামচন্দ্র (রামাই পন্ডিত) কে দীক্ষা দান করবেন।এই রামাই পন্ডিত শ্রীবংশীবদন ঠাকুরের প্রকাশ-মূর্তি।বংশীবদন ঠাকুরের তিরোভাবের সময় তাঁর পুণ‍্যবতী জ‍্যেষ্ঠা পুত্রবধূ চৈতন‍্যের পত্নী যখন বংশীবদনে শ্রীচরণ ধরে কাঁদতে লাগলেন, তখন তিনি সস্নেহে বললেন=*
*🍀সেই কালে গোসাঞির পুত্র বধূগণ।*
*🍀প্রভুর চরণে পড়ি করেন রোদন।।*
*🍀জ‍্যেষ্ঠ-পুত্র চৈতন‍্যের পত্নী সাধ্বী-সতী।*
*🍀কান্দিতে লাগিলা বহু করিয়া মিনতি।।*
*🍀গোসাঞি কহেন মাগো কেন কান্দ তুমি।*
*🍀তোমার গর্ভেতে জন্ম লভিব সে আমি।।*
*🍀তুয়া প্রেমে বশ হঞা কৈনু অঙ্গীকার।*
*🍀মোর এই কথা কাঁহা না কর প্রচার।।বঃশিঃ।।*
*🌻বংশীবদন শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর প্রিয়-শিষ‍্য ছিলেন।তাঁর উপর দেবীর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি ছিল।বংশীবদন নিজ পুত্রবধূর গর্ভে পৌত্ররূপে জন্মগ্রহণ করে শ্রীগৌরাঙ্গ-লীলা প্রচার করবেন, বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী তা অবিদিত ছিল না।বংশীবদনের দুই পুত্র।চৈতন‍্য ও নিতাই।চৈতন‍্য-পত্নীগর্ভে রামচন্দ্ররূপী বংশীবদনের পুনর্জন্ম হ'ল। এতে সকলেরই বিশেষ আনন্দ হ'ল।শ্রীমতী জাহ্নবা দেবী,বসুধা দেবী,অচ‍্যুত-জননী শ্রীসীতাদেবী, শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী সকলেই চৈতন‍্য-নন্দন রামচন্দ্ররূপী বংশীবদনকে দেখতে এসেছিলেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds