শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

১৭৯. শ্রীশ্রীঈশ্বরীর অপ্রকট 😭 😭 শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bishnupriya179.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
    এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
*(১৭৯)😭শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী😭*
*😭শ্রীশ্রীঈশ্বরীর অপ্রকট😭*
💧💧💧💧💧💧💧💧💧
 *"ব্রাহ্ম-মুহূর্ত‍্যে প্রভুর জন্ম-দিনে।*
*দারু-মূর্ত‍্যে লীন দেবী হইলা আপনে।।*
      *(গ্রন্থকার শ্রীহরিদাস গোস্বামী)*
*🌼শচীমায়ের অপ্রকটের পর হতেই শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কঠোর ভজনের প্রারম্ভ।জাহ্নবা ও সীতা দেবীর সহিত তাঁর সাক্ষাৎ হবার পর হতেই বিষ্ণুপ্রিয়া মাতা বড় একটা কারও সঙ্গে কথা বলতেন না। তিনি একপ্রকার মৌনী হলেন।তাঁর শরীর দিন দিন জীর্ণ-শীর্ণ ও ক্ষীণ হতে লাগিল।দেবীর আহার অতি অল্পই ছিল।এক্ষণে কোন দিন প্রসাদ পান, আবার কোন দিন প্রসাদ পান না,এইভাবেই দিন অতিবাহিত হচ্ছিল।ভাই শ্রীপাদ যাদবাচার্য‍্যের আনীত মহাপ্রভুর শ্রীচরণ-তুলসী ও গঙ্গোদক(চরণামৃত) পান করেই দেবীর কোন কোন দিন কেটে যেত।মহাপ্রভুর শয়ন-গৃহের সমস্ত দ্রব‍্যাদি সেইরকম ভাবেই এখনও সজ্জিত রয়েছে।প্রভু-দত্ত কাষ্ঠ-পাদুকা (কাঠের খড়ম) দুইখানি বিষ্ণুপ্রিয়া মাতার ভজন-মন্দিরে একটি উচ্চ বেদীর উপর গন্ধ-পুষ্পে সজ্জিত হয়ে সংস্থাপিত রয়েছে।দেবী এই পরম বস্তু নিত‍্য পূজো করেন।মহাপ্রভুর স্মরণ-চিহ্নস্বরূপ সেই শ্রীচরণ-রেণুযুক্ত পাদুকাদ্বয় কখন বা মস্তকে,কখনও বা বক্ষে ধারণ করে তিনি অঝোর-নয়নে রোদন করেন।কখনও বা প্রাণের আবেগভরে প্রাণবল্লভের চরণ-পাদুকার উপরে প্রেম বিগলিত নয়নে শত শত চুম্বন করে দগ্ধ-হৃদয় সুশীতল করেন।মহাপ্রভু যেই দিন গৃহত‍্যাগ করেছিলেন,তাঁর পরিত‍্যক্ত সেই পট্টবস্ত্র,সেই চাদর,সেই শয‍্যা, সেই পালঙ্ক প্রভৃতি সকল বস্তুই অতি যত্নের সহিত বিষ্ণুপ্রিয়া মাতা এতকাল রক্ষা করে আসছেন।প্রিয়সখি কাঞ্চনমালা, দেবীর আদেশে মহাপ্রভুর পরিত‍্যক্ত এই সব দ্রব‍্যাদি রক্ষণাবেক্ষণ করছেন।মহাপ্রভুর পালঙ্কের নিচে ভূমি-শয‍্যায় দেবী শয়ন করেন।মহাপ্রভুর কক্ষে বসেই শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী মহাপ্রভুর শ্রীচরণ বন্দনা করেন।মহাপ্রভুর ছেড়ে যাওয়া বস্ত্রাদি শ্রীমতী যখনই দেখেন অঝোর নয়নে ক্রন্দন করেন।শেষদিন পর্যন্ত সখী কাঞ্চনমালা সঙ্গে ছিলেন এবং যথাসাধ‍্য দেবীকে সান্ত্বনা দেন।গৌরকথা ভিন্ন আন কথা কাঞ্চনা জানেন না।শ্রীমতীর দুঃখ উপশমের একমাত্র উপায় তাঁকে গৌরকথা শ্রবণ করান।সখি এ বিষয়ে সিদ্ধহস্তা।দেবী কাঁদলেই কাঞ্চনা হা গৌরাঙ্গ বলে ভূমিতে পড়ে ক্রন্দন করলেই, সখীর অবস্থা দেখে বিষ্ণুপ্রিয়ার মনে ভীষণ দুঃখ হয়  ; তিনি তখন আর স্থির থাকতে পারেন না, নিজ দুঃখ ভুলে যান, আর কাঁদতে পারেন না।দেবী ও কাঞ্চনা নিশিদিন উভয়ে মিলে এইভাবে শ্রীগৌরাঙ্গভজন করেন।*
*😭শচীদেবীর অপ্রকটের পূর্বেই শ্রীপাদ সনাতন মিশ্র নিত‍্যধামে গমন করেছেন।দেবীর মাতা মহামায়াদেবীও স্বামীর অনুগমন করেছেন।দাস গদাধর প্রভৃতি মহাপ্রভুর ভক্তবৃন্দ শ্রীগৌরাঙ্গ বিরহে একে একে অদর্শন হয়েছেন।যাঁরা আছেন তাঁরা দেবীর দুঃখে দেহে প্রাণে আছে মাত্র।ইঁহাদের মধ্যে শুক্লম্বর ব্রহ্মচারী একজন।ইঁহার গৃহে জননী ও জন্মভূই দর্শনকালীন মহাপ্রভু নবদ্বীপে এসে একদিন বাস করেছিলেন। বর্তমানে শুক্লম্বর অতি বৃদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু দুইবেলা মহাপ্রভুর গৃহে এসে দবীর তত্ত্বাবধারণ করতে ভুলেন না। শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী মধ্যে মধ্যে অতি সকালবেলা বা সন্ধ‍্যার পর শ্রীমন্দিরে মহাপ্রভুর দারুমূর্তি দর্শন করতে গমন করেন। সখী কাঞ্চনা সঙ্গে যান।যখনই দেবী এই দারুমূর্তি দর্শন করেন, তাঁর কোল হৃদয় দুঃখে ফেটে যায়,যতক্ষণ মূরতি দর্শন করেন,ততক্ষণ অঝোর নয়নে রোদন করেন। অনিমিষনয়নে দেবী প্রাণনাথের বদনচন্দ্রের প্রতি তাকিয়ে থাকেন,আর আঁখির পলক পড়ে না, জলধারায় বক্ষ ভেসে যায়।কাঞ্চনার অঙ্গে দেবী নিজ অঙ্গের ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে কলিজীবকে রক্ষাকর্তা গৌরহরিকে দর্শন করেন।কাঞ্চনার ভয় হয়  পাছে দেবী মূর্ছিতা হয়ে না পড়েন।শ্রীমন্দিরের এক পাশে দেবী শত অপরাধিনীর মত দাঁড়িয়ে আছেন।প্রাণবল্লভের বিষম বিরহ-জ্বালা আর তিনি সহ‍্য করতে পারছেন না।দেবী কাঁদতে কাঁদতে একদিন মহাপ্রভুর শ্রীচরণান্তিকে একটু স্থান প্রার্থনা করলেন, অর্থ‍্যাৎ প্রাণনাথ তোমার ঐ শ্রীচরণের এককোণে শত অপরাধিনীকে স্থান দাও🙏।দয়াময় মহাপ্রভুর কর্ণে প্রাণপ্রিয়া অনাথিনী শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কাতর নিবেদন পৌঁছল।ঠিক ঐ সময়ে শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর বদনচন্দ্রে যেন ঈষৎ হাসির রেখা দেখা দিল।পরম করুণাময়ী ঈশ্বরী তা দেখতে পেলেন।তিনি প্রাণবল্লভের মনোভাব বুঝতে পেরে সখী কাঞ্চনাকে কহিলেন,সখি!যাদবকে বলো,আমি শ্রীমন্দিরের অভ‍্যন্তরে একবার গিয়ে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ দর্শন ও স্পর্শ করে কৃতার্থ হব।অদ‍্য গৌর-পূর্ণিমা, আমার হৃদয়েশ্বরের জন্ম তিথি।মঙ্গল আরতি শেষ হলে আমাকে শ্রীমন্দিরাভ‍্যন্তরে রেখে কিছুক্ষণ দ্বার বন্ধ করে দিতে বল।*
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds