শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৪. অর্থ ও পরমার্থ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori4.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৪. অর্থ ও পরমার্থ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori4.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৩. অর্থ ও পরমার্থ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori3.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(০৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
         *অর্থ------------পরমার্থ*
        ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🍀অর্থ‍্যাৎ পরমার্থ লাভের জন্য মনে যখন ব‍্যাকুলতা জাগে তখন মায়াময় এই সংসারে কিছুই তাঁকে আকর্ষণ করতে পারে না।ভারত সম্রাট আকবর পর্য‍্যন্ত এই নিকিঞ্চন মহাবৈষ্ণবকে দর্শন নিমিত্ত তাঁর পদপ্রান্তে এসে হাজির হয়েছিলেন কারণ সারা বিশ্বের যিনি মালিক তিনি ছিলেন সনাতনের হৃদয় মন্দিরে আসীন। সুতরাং আপনারা ধীর স্থির মনে অনুধাবন করে দেখুন যে বৈষয়িক জগতে এই ধন মান প্রতিষ্ঠার মূল‍্য কতখানি।এই প্রসঙ্গে দস‍্যুরাজ বীর হাম্বীর কর্তৃক বন বিষ্ণুপুরে ধনদৌলত লাভের আশায় গ্রন্থ সম্পূট অপহরণ কাহিনী এবং পরে শ্রীনিবাস আচার্য‍্য প্রভুর কৃপা পেয়ে সেই দস‍্যুরাজার যে কি অবিশ্বাস‍্য পরিবর্তন হয়েছিল তাও পরমার্থ জগতের এক অমূল‍্য কাহিনী।শ্রীনিবাস আচার্য‍্যর কৃপালাভ করবার পর এই বীর হাম্বীর বৈষ্ণব জগতে সকলের কাছে প্রণম‍্য হয়ে আছেন, এই প্রসঙ্গ আপনারা সকলেই জানেন।সেইরকম ধনপিপাসু এবং পরমার্থ লাভের অপর একটি উদাহরণ হচ্ছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ বিরচিত স্পর্শমণি কবিতা সেখানে তিনি যা বলেছেন তা আপনারা সকলে নিশ্চয়ই জানেন তথাপি সেই পদ‍্যটির কিছু অংশ এবং তার ভাবার্থ নিম্নে দেওয়া হল।*
*🍁অতি দরিদ্র ব্রাহ্মণ বহু অর্থকষ্টে জর্জরিত হয়ে অনবরত ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা জানান যে ঠাকুর আর তো এ অনশন যন্ত্রণা ভোগ করতে পারছি না,তুমি কৃপা করে আমাকে এ দুঃসহ যন্ত্রণা হতে মুক্ত করো।ভক্তের কাতর প্রার্থনায় বিচলিত হয়ে দেবাদিদেব মহাদেব তাঁকে স্বপ্নের মাধ‍্যমে বললেন=*
*একদিন নিশিভোরে,স্বপ্নে দেব কন মোরে,*
              *পূরিবে প্রার্থনা----*
*যাও যমুনার তীরে,সনাতন গোস্বামীরে,*
           *ধর দুটি পায়।*
*তাঁরে পিতা বলি মেনো,তাঁরি কাছে আছে জেনো,*
         *ধনের উপায়।*
*🌻এইরকম স্বপ্নাদেশ পেয়ে দরিদ্র ব্রাহ্মণ ধনলাভের আশায় ছুটলেন বৃন্দাবনে এবং সনাতন গোস্বামীর কাছে স্বপ্নাদেশের সমস্ত কথা বর্ণনা করলেন।নিষ্কিঞ্চন মহাবৈষ্ণব সনাতন গোস্বামী এইকথা শুনে অবাক হয়ে ভাবতে লাগলেন এ কি অদ্ভুত বাণী! তাঁর তো কোন সম্বলই নাই--, একটি মাত্র ভোট কম্বল যা ছিল তাও তো তিনি দান করে দিয়ে নিঃস্ব এবং রিক্তহস্ত বা খালিহাত।ভেবে আকুল হয়ে গেলেন প্রভুপাদ সনাতন। হঠাৎ তাঁর মনে হল--, তাইতো এই কিছুদিন আগে যমুনা তীরে বালির মধ্যে একটি স্পর্শমণি বা পরশমণি তিনি পেয়েছিলেন, যদি কারও দরকারে লাগে সেজন্য কাছেই বালির মধ্যে পুঁতে রেখেছিলেন। সুতরাং এই মহামূল‍্য সম্পদ যদি তিনি এই দরিদ্র ব্রাহ্মণকে দান করেন তাহলে তো তিনি দারিদ্র মুক্ত হতে পারবেন।এখানে বিচার্য‍্য বিষয় এই যে মানুষের মন যখন পরমার্থরূপ সম্পদ প্রাপ্ত হয়, তখন আর অন‍্য কোন প্রকার ঐহিক বা ভৌমসম্পদের উপর তাঁর লোভ বা বাসনা থাকে না।সেজন‍্য সেই পরশপাথর সনাতন গোস্বামীর মনকে ক্ষণিকের জন্যও বিচলিত করতে পারেনি। তিনি সেই পরশপাথরিকে লোষ্ট্রবৎ (মাটির ডেলা মনে করে)জ্ঞানে ফেলে রেখেছিলেন।যার স্পর্শে পৃথিবীর যাবতীয় বস্তু ক্ষণিকের মধ্যে সোনাতে পরিণত হয়  এবং যার মাধ‍্যমে তিনি অগাধ ঐশ্বর্য‍্যের অধিকারী হতে পারতেন এমন পরশপাথর সনাতন গোস্বামীর মনে ক্ষণিকের জন্যও লোভ বা কামনা-বাসনার সৃষ্টি করতে পারল না। কারণ সনাতন গোস্বামী যে অমৃতের সন্ধান পেয়েছেন তার কাছে পরশমণি তুচ্ছাতিতুচ্ছ।তিনি যে অমৃতের সন্ধান পেয়েছেন তা তিনি নিরন্তর অঞ্জলী ভরে পান করছেন আর মহানন্দে রয়েছেন। যাঁর হৃদয় মন্দিরে সেই বিশ্বদেবতা অন্তরীণ (অন্তরে বসে) আছেন।তখন তিনি দয়াপরবশ হয়ে হঠাৎ বললেন=*
*শুনি কথা সনাতন,ভাবিয়া আকুল মন,*
          *কি আছে আমার!*
*যাহা ছিল সে সকলি,ফেলিয়া এসেছি চলি,*
         *ভিক্ষা মাত্র সার।।*
*সহসা বিস্মৃতি ঘটে,সাধু ফুকরিয়া উঠে,*
        *ঠিক্ বটে ঠিক্।*
*একদিন নদী তটে,কুড়ায়ে পেয়েছি বটে,*
         *পরশ মানিক।।*
*যদি কিছু লাগে দানে,সেই ভেবে ওইখানে,*
         *পুতেছি বালুতে।*
*নিয়ে যাও হে ঠাকুর,দুঃখ তব হোক দূর,*
        *ছুঁতে নাহি ছুঁতে।।*
*🌷তখন সেই ব্রাহ্মণ ঘটনার কথা শুনে বিমূঢ় হয়ে গেলেন এবং সস্নিগ্ধ (কোমল চিত্তে)যমুনার তীরে বালি খনন করে সেই পরশমণিটি পেলেন, তার সত‍্যতা যাচাই করবার জন্য নিজের একটি লোহারমাদুলি ছিল, স্পর্শ করানো মাত্র সোনা হয়ে গেল।দীন দরিদ্র ব্রাহ্মণ বিস্মিত ও স্তম্ভিত হয়ে বালির উপর বসে পড়লেন। ভাবতে লাগলেনযে মানুষ কি এমন ধন পেলে এইরকম সাতরাজার ধনকে তুচ্ছ জ্ঞানে বালির মধ্যে পুতে রাখে!এইভাবে দরিদ্র ব্রাহ্মণ গভীর ভাবনায় ডুবে গেলেন।পরে তার মনে হল,এর রহষ‍্য কি আছে তা আমায় ঐ বৈষ্ণবে কাছে জানতে হবে।এই নিষ্কিঞ্চন মহাবৈষ্ণব কি এমন মহা ঐশ্বর্য‍্য পেয়েছেন যে পরশমণির মত মহাধনকে তুচ্ছাতিতুচ্ছ মন করে বালিতে পুতে রেখেছেন?অতঃপর তিনি সেই মহাবৈষ্ণবের চরণতলে লুটিয়ে পড়ে অশ্রুবিগলিত কন্ঠে বললেন=*
*যে ধনে হইয়া ধনী,মণিরে মান না মণি,*
           *তাহারি খানিক,*
*মাগি আমি নতশিরে,এত বলি নদীনীরে,*
          *ফেলিল মানিক।*
*🍀অর্থ‍্যাৎ সেই দীন দরিদ্র ব্রাহ্মণ তখন হৃদয়ের ষোলআনা আর্তিসহ সনাতন গোস্বামীকে বললেন, হে প্রভু!  আপনি কি এমন ধনের সন্ধান পেয়েছেন যার ফলে পরশমণির মতো দুর্লভ বস্তুকে এইভাবে উপেক্ষা করে ফেলে দিয়েছেন, আমাকে কৃপা করে তার সন্ধান দিন🙏।তখন নিরাসক্ত (লোভ-লালসা বিহীন) সনাতন গোস্বামী ধীরে ধীরে তাঁর মনের কথা ব্রাহ্মণকে প্রকাশ করলেন। সেই ব্রাহ্মণ কথা শুনে ভাবতে লাগলেন আর বলতে লাগলেন "আমি কি অভাগা" যে পার্থিব ধনলাভের জন্য পাগলের মত ছুটাছুটি করছি আর ইনি পরমার্থ লাভ করে যোগক্ষেমের বাহকের উপর সব দায়দায়িত্ব ন‍্যাস্ত করে নিশ্চিত মনে সাধন জগতে নিবিষ্ট রয়েছেন।অর্থ‍্যাৎ তাঁর সমস্ত দায়দায়িত্ব ভগবানের শ্রীচরণে উপর অর্পণ করে নিশ্চিন্ত মনে রয়েছেন। ব্রাহ্মণ আত্মশ্লাঘায়(নিজের গর্বে, কারণ তিনি বর্ণশ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ)তিনি মরমে মরে গেলেন এবং মহৎ কৃপার এমনই শক্তি যে সেই দুর্লভ পরশমণিকে সজোরে যমুনার জলে ফেলে দিলেন এবং অশ্রুবিগলিত কন্ঠে বললেন, হে মহাবৈষ্ণব!আপনি যে ধনের সন্ধান পেয়েছেন,সেই ধনের সন্ধান আমায় দিন🙏।কারণ পার্থিব সম্পদের উপর  আমার আর কোন মোহ নাই।এই হচ্ছে পরমার্থ লাভ।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*কি নাম দিবেন তিনি,চিন্তে শেষে গর্গমুনি,*
    *কহিলেন নন্দরাজে করি সম্ভাষণ।*
*নন্দরাজ মহামতি,হরষিত হয়ে অতি,*
   *নামকরণ ব‍্যবস্থা করেন তখন।।*
 *জ‍্যেষ্ঠ নাম বলরাম,ডাকিবে তাহারে রাম,*
   *এই বালকের বল হবে অতিশয়।*বলহেতু বলরাম,ভুবন বিখ‍্যাত নাম,*
   *বিপদে যাদবগণে রাখিবে নির্ভয়।।*
*তোমার কনিষ্ঠ পুত্র,পূজা পাইবে সর্বত্র,*
     *নানারূপে জন্ম তাঁর প্রতিযুগে হয়।*
*কৃষ্ণরূপে এইবার,ধরাতে জনম তাঁর,*
   *সে কারণে কৃষ্ণ নাম যুক্তিযুক্ত হয়।।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৫. অর্থ ও পরমার্থ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori5.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds