✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬. দীক্ষার বাসনা 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori6.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৫. অর্থ ও পরমার্থ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori5.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
**(০৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*🌻দীক্ষার বাসনা🌻*
<><><><><><><><>
*⭐মানুষের মনে যখন পরমার্থ লাভের জন্য ব্যাকুলতা জাগে তখন ভগবদ্ কৃপায় অপ্রত্যাশিত ঘটনার সমাবেশ দেখা যায়।ভগবদ্ কৃপা যে কখন কার উপর কিভাবে বর্ষিত হবে তার কোনবিধিবদ্ধ নিয়ম নাই অনেকটা পাহাড়ের ঝরণার মতো।পাহাড় মাত্রেই পাথরের সমাবেশ= সব জায়গা শুকনো-- নদীনালা বা জলাশয়ের কোন সম্ভাবনা সেখানে থাকে না। কিন্তু তথাপি দেখা যায় যে সেই বিস্তীর্ণ পার্বত্য দেশে হঠাৎ প্রচণ্ড ঝরণার ধারা প্রবাহিত হচ্ছে।এই ঝরণা ধারার উৎস যে কোথায় কিভাবে আছে তা কেউই জানে না এবং এটি প্রকৃতিদেবীর সৃষ্টি মহিমা ছাড়া আর কিছুই নয়।যদিও এক জায়গায় এইরকম বিশাল জলপ্রপাত বা ঝরণা দেখা যায় তথাপি আবার যে কোথায় ইহা দেখা যাবে তারও কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম নাই।মাইলের পর মাইল অতিক্রম করলেও দেখা যায় যে আবার কোন এক অদৃশ্য শক্তি প্রভাবে আবার একটি ঝরণা ধারা প্রবাহিত হচ্ছে।অর্থ্যাৎ এর সঠিক কোন নিয়ম নাই।এই ঝরণা-ধারাকে সেজন্য মহাভাগবদগণ ভগবদ্ কৃপার সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং এটি যে কখন কার উপর কিভাবে বর্ষিত হবে তারও কোন স্থিরতা নাই ; সবই যেন কৃপা সাপেক্ষ।*
*🌹লালাবাবু=যেমন দেখা যায় ভক্তপ্রবর লালাবাবুর জীবন।বিশাল জমিদারীর একমাত্র মালিক হয়ে তিনি যখন একবার মহল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তখন পথিমধ্যে এক নদীতীরে বিশ্রামকালে একটি ধীবর কন্যা তার নিদ্রিত পিতাকে জাগাবার জন্য বিকেলবেলা বলে উঠে "বেলা যে যায় " ইত্যাদি কথা।এই কথাটি আমরা প্রত্যকদিনই জীবনে কতই ব্যবহার করি-- কিন্তু সেইদিন সেইক্ষণে লালাবাবুর কানে প্রবেশ করল তখনই তা তাঁকে মর্মে মর্মে আঘাত করল এবং তিনি এই সূর্য্যালোকের বেলা শব্দটিকে "নিজের জীবনের বেলার সঙ্গে তুলনা করে" চিন্তাজালে জড়িয়ে পড়লেন।প্রচন্ড বিষয়ী একজন জমিদার যিনি সদা সর্বদা তখন বৈষয়িক জগতে জড়িত, কেন তাঁর মনে এই ভাবান্তর হল?এই প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না এবং এটি একমাত্র ভগবদ্ কৃপার নামান্তর মাত্র-- অনেকটা পাহাড়ের ঝরণার মত হঠাৎ আবির্ভাব।এই লালাবাবু ভক্তিময় জীবন কাহিনী আপনারা আগামী কোন পর্বে পাবেন। সেজন্য বিস্তারিত প্রসঙ্গ এখানে আলোচনা করব না। কিন্তু তথাপি দীক্ষার জন্য যে ব্যাকুলতা তাঁর জীবনে দেখা গিয়েছিল তার সামান্য কিছু প্রসঙ্গ আলোচনা করব। শেষ পর্যন্ত লালাবাবু নিষ্কিঞ্চনভাবে শ্রীধাম বৃন্দাবনে গমন করে বৈষ্ণব জগতের জন্য অশেষ কল্যাণ কর্ম করেছিলেন। মন্ত্রদীক্ষা নেবার জন্য তৎকালীনসিদ্ধ মহাত্ম্যা কৃষ্ণদাস বাবাজীর কাছে মনোবাসনা ব্যক্ত করেন।এই মহাপুরুষ কিন্তু তৎক্ষণাৎ তাঁকে দীক্ষদানে সম্মত হন নাই।কারণ তিনি তাঁর সূক্ষ্মদৃষ্টির দ্বারা লালাবাবুকে আগুনে পোড়ায়ে সম্পূর্ণরূপে খাদমুক্ত করে নিতে চেয়েছিলেন যাতে তাঁর মনের মধ্য হতে সব রকম গ্লানি, অহঙ্কার ইত্যাদি দূরীভূত হয়।প্রসঙ্গে কবিশেখর কালিদাস রায়েরএকটি মনোরম বৈষ্ণব কবিতা আছে যার পূর্ণ প্রকাশ আপনারা প্রাপ্ত হবেন আমাদের প্রকাশিত "ভক্তের প্রার্থনা " নামক গ্রন্থে, সেখান হতে কিছু অংশ দেওয়া হল=*
*(১)সাধুর চরণে ধরি,কন লালা কৃপা করি,*
*এ অধমে দিন তরি তরমের মন্ত্র।*
*সাধু কন স্নেহভরে,এবে ফিরি যাও ঘরে,*
*এখনো আসেনি তব দীক্ষার লগ্ন।।*
*নিজে যাব এলে দিন,রব নাকো উদাসীন,*
*এত কহি আঁখি মুদি পুনঃ জপে মন্ত্র।*
*(২)এই ভাবি সব ছাড়ি,মন্দির মঠ বাড়ী,*
*চলিলেন লালাবাবু ঝুলি লয়ে স্কন্ধে।*
*ব্রজবাসীগণ তায়, কেঁদে পিছু পিছু ধায়,*
*লাখপতি ভিখ মাঁগে অপরূপ দৃশ্য।।*
*ভান্ডার খালি করে,আনে থালি থালি ভরে,*
*দিতে রাজভিখারীরে গৃহীগণ ব্যস্ত।*
*ভিখারী লয় না কিছু,বদন করিয়া নীচু,*
*মুষ্টি ভিক্ষা তরে পাতে এক হস্ত।।*
*🍀চরম বৈরাগ্য অবলম্বন করে এইভাবে প্রায় ছয়মাস গত হলে তিনি পুনরায় ঐ সিদ্ধ মহাত্ম্যার কাছে গমন করলে তখনও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বললেন সুসময় আগত প্রায় ইত্যাদি।তখন লালাবাবুর মধ্যে চরম হতাশা।সর্বশেষ শেঠ পরিবারের বাড়ীর সঙ্গে তাঁর মনে যে প্রচ্ছন্ন রেশারেশি(অর্থ্যাৎ শত্রু মনোভাব ছিল )ছিল তা খন্ডন করবার জন্য সবরকম মান-অভিমান জলাঞ্জলী দিয়ে সেই গৃহে গমন করে মাধুকরী (মধুকর যেমন নানা ফুল হতে মধু সংগ্রহ করে, আর এই মাধুকরী পঞ্চগৃহে ভিক্ষা) ভিক্ষা যাচনা করলেন।অর্থ্যাৎ সিদ্ধ কৃষ্ণদাস বাবাজী মনে মনে ঠিক এই জিনিসটিই চেয়েছিলেন, যদিও তিনি তা প্রকাশ করেন নাই। তিনি চেয়েছিলেন যে আত্মসমীক্ষার দ্বারা লালা যেদিন এটি নিজে নিজে উপলব্ধি করতে পারবে তখনই সে শেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।সে এক অপূর্ব প্রসঙ্গ সম্পূর্ণ কবিতাটি পাঠ না করলে মন ভরবে না তবে আমার মনে হয় আগ্রহী ভক্তগণ মধুকরের মতো ঠিকই তিনি সংগ্রহ করে নিবেন।অবশেষে শেঠজী বললেন=*
*শেঠ কয় জুড়ি পানি,আজ পরাজয় মানি,*
*ইহলোকে পরলোকে জিতে গেল বৈরী।*
*ঝুলিখানি তব কাঁধে,ভরা জয় সংবাদে,*
*সোনা দিয়ে পরাজয় করিয়াছ তৈরী।।*
*ফিরে এসে দ্বার দেশে,হেরিলেন গুরু এসে,*
*কহিলেন আজি শেষ হয়েছে পরীক্ষা।*
*নেচে হরি হরি বলো,যমুনার ঘাটে চলো,*
*লগ্ন এসেছে লালা,লও আজ দীক্ষা।।*
*🌻অর্থ্যাৎ এতবড় একজন পরমবৈষ্ণব হয়েও লালাবাবু বুঝেছিলেন যে অদীক্ষিত জীবন সত্যই অসার এবং সেজন্য তিনি যাঁকে মনে মনে গুরু হিসাবে বরণ করেছিলেন, তিনিও ছিলেন তৎকালীন বৃন্দাবনের মুকুটমণি।লালাবাবুর দীক্ষা পাওয়ার এই বাসনার মধ্যে নিষ্ঠা কতখানি আছে তা পরীক্ষার্থে তিনি লালাবাবুকে কঠোর পরীক্ষা দ্বারা তার মনের আর্তি যাচাই করে নিয়েছিলেন এবং শেষে তাঁকে আত্মসাৎ করে সিদ্ধ কৃষ্ণদাস বাবাজী তাঁর প্রিয় শিষ্যকে তাঁর অর্জিত সম্পদ অকাতরে দান করেছিলেন। লালাবাবুও গুরুকৃপায় যুগ যুগ অমর হয়ে আছেন বা থাকবেন।*
/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\
*তব পুত্র নারায়ণ,যত্নে করিও পালন,*
*বিশ্বে ইনি করিবেন মঙ্গল সাধন।*
*লীলা তাঁর কত হবে,নানারূপে প্রকাশিবে,*
*পাপীতাপী উদ্ধারিতে মর্ত্যে আগমন।।*
*কৃষ্ণধনে কোলে করি,জুড়ায় পরাণ তারি,*
*অপলকে মাতা তারে করে দরশন।*
*অগ্নিতাপে সে সময়,পুত্র দুগ্ধ উথলায়,*
*খাদ্য নষ্ট হয় হেরি জননী তখন।।*
*না রাখিয়া কোলে তাঁরে,রাখি মাতা ভূমি পরে,*
*কৃষ্ণভোগ্য দুগ্ধ যান করিতে রক্ষণ।*
*হেরি মার কর্মাসক্তি,শিখাতে নিষ্কাম ভক্তি,*
*ছলনা করেন হরি কাটাতে বন্ধন।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭. দীক্ষার বাসনা 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori7.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
