✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬১. সাধনতত্ত্ব ও ভক্তিতত্ত্ব 🌷 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/ramananda61.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬০. সাধনতত্ত্ব ও ভক্তিতত্ত্ব 🥀 দশম অঙ্গ 🌷 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/ramananda60.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬১)শ্রীরামানন্দ রায়,কাষ্ঠ পুত্তলিকা*
*সাধনতত্ত্ব ও ভক্তিতত্ত্ব।*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌹শ্রীশ্রীহরিভক্তিবিলাসে বিস্তৃতরূপে এই সম্বন্ধে শাস্ত্র যুক্তি লিখিত আছে।*
*(২)শিষ্যাদ্যননুবন্ধিতম্, অর্থ্যাৎ বহু শিষ্য করা নিষিদ্ধ।*
*(৩)মহারম্ভাদিতে অনুদ্যম্, অর্থ্যাৎ মঠাদি নির্মাণ বিষয়ে অনুদ্যম(কাজে উৎসাহ নেই এমন।)*
*(৪)বহুশাস্ত্র কলাভাস,ব্যাখ্যাবৃত্তি ও বাদ বিবর্জন করা কর্তব্য। এই সম্বন্ধে শ্রীভাগবত (৭|১৩) আধ্যায়ে বলেন=*
*"ন শিষ্যাননুবধ্নীত গ্রন্থান্ নৈবাভ্যসেদ্বহ্নন্।*
*ন ব্যাখ্যা মোপযুঞ্জীত নারম্ভানারভেৎ ক্বচিৎ।।"*
*🌷অর্থ্যাৎ অনেক শিষ্য করবে না,অনেক গ্রন্থ পড়া আভ্যাস করবে না, এবং মঠাদি নির্মাণ বিষয়ে উদ্যোগী হবে না।শ্রীভাগবতের এই কথাটি সন্ন্যাসধর্ম প্রচারণের অন্তর্গত। তাহলেও নিবৃত্তিমার্গাবলম্বী (শান্তপথের)ভক্তগণের এই নিষেধ প্রতিপাল্য।বহু শিষ্যের দীক্ষা দেওয়া অকর্তব্য, এই কথার ব্যাখ্যায় শ্রীপাদ শ্রীজীব গোস্বামীপাদ বলেন, এই নিষেধ অনধিকারি-বহুশিষ্য-স্বীকারের দোষ-জ্ঞাপক। কিন্তু শ্রীনারদ গোস্বামীরও বহুশিষ্য ছিলেন,পুরাণে এ বিষয়ের উল্লেখ আছে। বহুশিষ্য-গ্রহণ-প্রথা বারিত (নিষিদ্ধ) হলে সম্প্রদায়-নাশেরও আশঙ্কা আছে। কিন্তু তাই বলে সম্প্রদায় বৃদ্ধির জন্য ভগবদবিমুখ অনধিকারি "বহুশিষ্য গ্রহণ " করা কর্তব্য বলে গণ্য নয়। "বহুগ্রন্থাভ্যাস" পদে ভক্তিবিরোধী গ্রন্থের বিষয়ই বুঝতে হবে।(বর্তমান বহু সংস্থা হয়েছে তাদের মনগড়া ও কাল্পনিক এবং অশাস্ত্রীয় কথায় ভরা গ্রন্থ না অধ্যয়ন করাই ভাল, কারণ সেসব গ্রন্থ পড়লে কোনদিনই ভক্তি আসবে না।)যে সব শাস্ত্র ভগবদ্ভক্তির পুষ্টিকর, যে সব শাস্ত্রীয় যুক্তি ভগবদ্ভক্তির অনুকূল ও দৃঢ়তাসম্পাদক,এই কথাংশের তৎসকলের নিষেধ নহে। 🍀শাস্ত্র ব্যাখ্যা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করবে না।🍀*
*(৫)🌹ব্যবহারে অকার্পণ্য, অর্থ্যাৎ অন্নবস্ত্রাদি অলব্ধ (লাভ না)হলে বা বিনষ্ট হলে তারজন্য কোনরকম ব্যাকুল না হয়ে হরিভজনপরায়ণ ব্যক্তি সবসময় আপন মনে ভগবানের শ্রীচরণ স্মরণ করবেন। পদ্মপুরাণ বলেন=*
*"অলব্ধে বা বিনষ্টে বা ভক্ষ্যাচ্ছাদনসাধনে।*
*অবিক্লবমতির্ভূত্বা হরিমেব ধিয়া স্বরেৎ।।"*
*(৬)🌺শোকাদ্যবশবর্তিতা= ভক্তিঅঙ্গসমূহের মধ্যে শোকাদির অবশবর্তিতাও একটি।যাঁরা ভগবদভজনে রত হবেন, শোক দ্বারা তাঁদের চিত্ত যেন ভারাক্রান্ত না হয় এ বিষয়ে তাঁদেরকে সাবধান হতে হবে যথা পাদ্মে=*
*"শোকমর্ষাদিভি র্ভাবৈরাক্রান্তং যস্য মানসম্।*
*কথং তত্র মুকুন্দস্য স্ফুর্তিসম্ভাবনা ভবেৎ।।"*
*🌷অর্থ্যাৎ যার হৃদয়ে শোক ও ক্রোধে পরিপূর্ণ সেখানে কিরকম ভাবে মুকুন্দের স্ফুর্তির(আনন্দের)সম্ভাবনা হতে পারে? মাধুর্য্যের আনন্দঘনবিগ্রহ শ্রীকৃষ্ণকে হৃদয়-সিংহাসনের সম্রাট করতে হলে সাধককে সর্বপ্রথমে হৃদয়কে শোক ও ক্রোধাদি হতে মুক্ত করতে সচেষ্ট হতে হবে।*
*(৭)🍀অন্যদেবের প্রতি অনবজ্ঞা= জনসাধারণের বিশ্বাস,বৈষ্ণব ধর্ম এক বিষ্ণু ছাড়া অপর দেবতার প্রতি বিরোধী। এ বিশ্বাস অতি ভুল। তবে ব্যক্তিবিশেষের অজ্ঞাতজনক অসদাচরণের জন্য জনসাধারণের হৃদয়ে এইরকম কুসংস্কার জন্মিতে পারে। কিন্তু অন্য দেবের প্রতি অসম্মান করতে হবে বা অবজ্ঞা প্রদর্শন করতে হবে,শিব,কালী,দূর্গা প্রভৃতি দেবদেবীর কাছে প্রণত হতে হবে না,সেইসব শ্রীমূর্তি দেখে ঘাড় বাঁকিয়ে চলে যেতে হবে, এটি বৈষ্ণবের পক্ষে ধর্ম তো নয়ই, প্রত্যুত (পক্ষান্তরে)ঘোরতর অধর্ম। বৈষ্ণব শাস্ত্রের বহু জায়গায় এইরকম অসদাচরণের বিরুদ্ধ উপদেশ দেওয়া হয়েছে। বৈষ্ণবের শ্রীভগবান ভক্তির পুষ্টিসাধন ছাড়া ভক্তির হানি করার উপদেশ করেন না।বৈষ্ণবের নিত্য আরাধ্য শ্রীমদ্ভাগবতে শিবাদি দেবতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিধি রয়েছে। শিবচতুদর্শী ব্রত উপবাস বৈষ্ণবের কর্তব্য বলে ব্যবস্থিত হয়েছে। পদ্মপুরাণের কথা উদ্ধৃত করে বৈষ্ণবের জগৎপূজ্য মহাচার্য্য শ্রীপাদ রূপ গোস্বামী মহাশয় বলছেন=*
*"হরিরেব সদারাধ্য সর্বদেবেশ্বরেশ্বরঃ।*
*ইতরে ব্রহ্ম রুদ্রাদ্যা নাবজ্ঞেয়াঃ কদাচন।।"*
*🌻সাত্ত্বিক পুরাণ-সমুদ্রমন্থন করে বৈষ্ণবগণ শ্রীকৃষ্ণকেই আরাধ্যতত্ত্ব বলে জানতে পেরেছেন।বৈষ্ণবগণ নিষ্ঠাসহকারে শ্রীকৃষ্ণের ভজন করেন। কিন্তু অন্য দেবতার অবজ্ঞা করা নরকজনক বলে বৈষ্ণবশাস্ত্রে কীর্তিত হয়েছে।সতী রমণী যেমন ভাসুর,শ্বশুর শ্বাশুড়ী ও মাতা প্রভৃতির প্রতি অবজ্ঞা না করে পক্ষান্তরে তাঁদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও যত্ন প্রদর্শন করে থাকেন, কিন্তু পতিকেই যেমন একমাত্র প্রাণেশ্বর জেনে তাঁর শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করেন ; বৈষ্ণবগণও সেই রকম অন্যান্য দেবতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকেন, কিন্তু তাঁরা শ্রীকৃষ্ণব্রত। শ্রীকৃষ্ণই তাঁদের একমাত্র আরাধ্য। এইরকম ভাবকে কেউ কেউ উদারতার অভাব বা ধর্মমতের সঙ্কীর্ণতা মনে করতে পারেন।*
*ধারাবাহিক*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬২. সাধনতত্ত্ব ও ভক্তিতত্ত্ব 🥀 আগমে যে বত্রিশটি সেবাপরাধ লিখিত হয়েছে কি কি ❓❓ 🌷 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/ramananda62.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
